আজকে প্রকাশিত চাকরির পরীক্ষার নোটিশ গুলো পাবেন

ধাধার আসর এর সকল বাংলা ধাঁধাঁ এবং মজার ধাধা গুলো এখানে দেয়া আছে ।

ধাধার আসর এর সকল বাংলা ধাঁধাঁ এবং মজার ধাধা গুলো এখানে দেয়া আছে ।


ধাধার আসর 

(১) এই ঘরে যাই, ওই ঘরে যাই দুম দুমিয়ে আছায় খাই।

উত্তরঃ ঝাঁটা।

(২) সর্প বটে তার চারটি পা ডিম দেয় না, বাচ্চা দেয়?
উত্তরঃ গুই-সাপ।

(৩) জনম গেল দুখে বুকে আমার আগুন দিয়ে থাকো অনেক সুখে।
উত্তরঃ হুঁকো।

(৪) কাল আমাকে মেরে ছিলে সয়ে ছিলাম আমি আজ আমায় মারো দেখি কেমন বেটা তুমি।
উত্তরঃ মাটির হাড়ি।

(৫) আমার মা যখন যায় তোমার মার পাশে দুই মা হারিয়ে যায় নানার পুত্র হয় শেষে।
উত্তরঃ মামা।

(৬) দুধ দিয়া ফুল সাজে খাইতে অনেক মিঠা লাগে।
উত্তরঃ সন্দেশ।

(৭) কম দিলে যায় না খাওয়া বেশি দিলে বিষ মা বলেছে, বুঝে শুনে তার পরেতে দিস।
উত্তরঃ লবণ।

(৮) চার পায়ে বসে, আট পায়ে চলে রাক্ষস নয়, খোক্ষস নয় আস্ত মানুষ গিলে।
উত্তরঃ পালকি।

(৯) যে মুখে খায়, সেই মুখে হাগে এই প্রাণি নিত্য রাত জাগে।
উত্তরঃ বাদুর।

(১০) ঢাক গুড় গুড়, ঢাক গুড় গুড় ঢাক গুড় গুড় করে বলপুরেতে আগুন লেগেছে কেউ না নিভাতে পারে।
উত্তরঃ সূর্য।

(১১) হাত দিলে বন্ধ করে সূর্যদোয়ে খোলে ঘোমটা দেওয়া স্বভাব তার মুখ নাহি তোলে।
উত্তরঃ লজ্জাবতী লতা।

(১২) সাগর থেকে জন্ম নিয়ে আকাশে করে বাস মায়ের কোলে ফিরে যেতে জীবন হয় লাশ।
উত্তরঃ মেঘ।

(১৩) এই দেখি এই নাই তার আগে আগুন নাই।
উত্তরঃ বিদ্যুৎ।

(১৪) চক থেকে এলো সাহেব কোট-প্যান্ট পরে কোট-প্যান্ট খোলার পরে চোখ জ্বালা করে।
উত্তরঃ পেঁয়াজ।

(১৫) তি অক্ষরে নাম তার অনেক লোকে খায় মধ্যের অক্ষর বাদ দিলে জিনিস রাখা যায়।
উত্তরঃ তামাক।

(১৬) তেল চুকচুক পাতা ফলের ওপর কাঁটা পাকলে হয় মধুর মতো বিচি গোটা গোটা।
উত্তরঃ কাঁঠাল।

(১৭) তিনটি র্বণে নামটি তার, রসাল এক ফল ছাড়িয়ে মধ্যবর্ণ হয় যে আরেক ফল।
উত্তরঃ কমলা।

(১৮) কাঁচা খাও, পাকা খাও খাইতে রড় মিষ্টি আমি যদি খাইতে বলি চটে গিয়ে করো অনাসৃষ্টি।
উত্তরঃ কলা।

(১৯) উত্তরে চিলের বাসা কোন গাছের ফল কাঁচা।
উত্তরঃ পেস্তাগাছ।

(২০) জলে জন্ম ঘরে বাস, জলেতে পড়লে সর্বনাশ।
উত্তরঃ লবণ।

(২১) বন থেকে বেরুল টিয়ে সোনার টোপর মাথায় দিয়ে।
উত্তরঃ আনারস।

(২২) ঘরের মইধ্যে ঘর নাচে কনে-বর।
উত্তরঃ মশারি।


(২৩) আল বেয়ে যায় সাপ ফিরে ফিরে চায় বাপ।
উত্তরঃ সুঁই-সুতো।

(২৪) রাজা-মন্ত্র্রি-সৈন্য মিলে নৌকা চড়ে যুদ্ধে যায় জীবন তো দূরের কথা, ঢাল-তলোয়ার ছাড়াই কুপকাত।
উত্তরঃ দাবা খেলা।

(২৫) বলো সে কী ফল খেতে বড় বেশ- কলজের মধ্যে থোকা থোকা কমলা বুড়ির কেশ।
উত্তরঃ।

(২৬) মানুষ নয় প্রাণীও নয় পিছে পিছে ঘোরে লাথি দিলে সেও যে লাথি দেয় জোড়ে।
উত্তরঃ ছায়া।

(২৭) হাতি নয় ঘোড়া নয়, মোটা মোটা পা তরু নয়, লতা নয়, ফুলে ভরা গা।
উত্তরঃ পালঙ্ক।

(২৮) তিন অক্ষরের নাম তার বাংলাদেশে নাই প্রথম অক্ষর বাদ দিলে অনেক লোকে খায়।
উত্তরঃ জাপান।

(২৯) অলি অলি পাখিগুলি গলি গলি যায়, সর্ব অঙ্গ ছেড়ে দিয়ে চোখ খুবলে খায়।
উত্তরঃ ধোঁয়া।

(৩০) উড়তে পাখি উনুর ঝুনুর বসতে পাখি ধন্দা আহার করতে যায় পাখি হাত থাকে তার বান্ধা।
উত্তরঃ জাল।

(৩১) হাতে আছে, হাতে নাই হাত বাড়ালে পাবি কই।
উত্তরঃ কনুই।

(৩২) চাই নাকো তবু খাই বেশি খেলে মারা যাই।
উত্তরঃ পিটুনি।

(৩৩) দুই অক্ষরের নাম যার প্রসিদ্ধ একটি গাছ নামটি উল্টে দিলে পুঁতি চারাগাছ।
উত্তরঃ বটগাছ।

(৩৪) সকলের শিরে ধরে নাহি ধরে কেশে হাত নাই, পা নাই বলো ধরে কে সে?
উত্তরঃ মাথাধরা।

(৩৫) সবকিছুই সে পাড়ি দিয়ে যায় নদীর পাড়ে গেলে অমনি থেমে যায়।
উত্তরঃ রাস্তা।

(৩৬) গায়েতে কন্টকাবৃত সজারু সে নয় মানুষে পেলে গন্ধ তখনি ছেদ হয়।
উত্তরঃ কাঠাল।

(৩৭) আহার্য নয় তবু খায় সর্বজন, অনিচ্ছাতে বাধ্য হয়, করিতে ভক্ষণ।
উত্তরঃ আছাড়।

(৩৮) জলে রই স্থলে রই জল বিনা কিছু নয়।
উত্তরঃ বরফ।

(৩৯) লাল বরণ, ছয় চরণ, পেট কাটলে হাঁটে, মূর্খ লোকে বলবে কিসে পন্ডিতের শির ফাটে।
উত্তরঃ ডাস পিঁপড়া।

(৪০) তিন বীর রারো শির বত্রিশ লোচন, ভূমিতে পড়িয়া বীর করে মহারণ।
উত্তরঃ পাশার ঘুঁটি

(৪১) ভন্ ভন্ করে তবু ভোমরা নয় গলায় পৈতা তার বামুন তবু যে নয়।
উত্তরঃ।

(৪২) কাঁটা ভরা অঙ্গ তার, সুদীর্ঘ আকার প্রাণ আছে, শিরে কেশের সম্ভার জিহবার আগে মধু, বিন্দু বিন্দু ঝরে জুড়ায় রসনাখানি, পান করে তারে।
উত্তরঃ খেঁজুর গাছ।

(৪৩) একটুখানি ঘরে চুনকাম করে
উত্তরঃ ডিম।

(৪৪) ভয়ঙ্কর পথিক সে সকলে যে ডরায় খানিক পরে কাঁদিয়া সাগর সে ভাসায়।
উত্তরঃ বৃষ্টি।



(৪৫) একটুখানি পুষ্পরিনী টলমল করে, একটুখানি কুটা পাড়লে সর্বনাশ করে।
উত্তরঃ চোখ।

(৪৬) আাঁধার পুকুর, গড়ান মাঠ, বত্রিশ কলাগাছ, একখানি পাট।
উত্তরঃ দাঁত ও জিহবা।

(৪৭) ছোট ছোট গাছখানি তার কত ফল ধরে একটা যদি খায় তবে আহা-উহু করে।
উত্তরঃ বোম্বাই মরিচ।

(৪৮) আমারও নাই, তোমারও নাই, আমরা কে তা বোঝ নাই
উত্তরঃ মানুষ।

(৪৯) হাত পা তার ইটের সমান অতি পুরু ছাল, পেটে দিলে তাকে বাড়ে অনেক মান
উত্তরঃ গম গাছ।

(৫০) এই পাড়ে খাগড়া ওই পাড়ে খাগড়া কখনও মিলেমিশে কখনও বা ঝগড়া
উত্তরঃ চোখের পাতা।

(৫১) আট পা আঠারো হাঁটু জাল ফেলিয়া মরা ঠেঁটু শুকনায় ফেলিয়া জাল গাছে উঠিয়া নিল ফাল
উত্তরঃ মাকড়শা।

(৫২) বিনা দুধে হইছে দই এমন কুমার পাব কই।
উত্তরঃ চুন।

(৫৩) লাঠির মত গাছে সোনার ফল নাচে।
উত্তরঃ ভুট্টা গাছ।

(৫৪) একই মায়ের সন্তান মোরা আমি তাকে ভাই বলি সে আমায় বলে না ভাই বলুনতো কি সম্পর্ক তাই।
উত্তরঃ ভাইবোন।

(৫৫) উঠান ঠন ঠন, বাড়িতে নাই খাই বস্তুর বাকল নাই।
উত্তরঃ লবণ।

(৫৬) এ পাড়ে বুড়ি মরল ও পারে গন্ধ ছাড়ল।
উত্তরঃ কাঁঠাল।

(৫৭) ঝাপাট জঙ্গল খেকে বের হলো সাপ ডিম পাড়ে কাপ কাপ।
উত্তরঃ বেতফুল।

(৫৮) থাল ঝনঝন, থাল ঝনঝন থাল নিল চোরে, বৃন্দাবনে লাগলো আগুন কে নিভাইতে পারে।
উত্তরঃ রোদ।

(৫৯) বৃক্ষ এক হইছে যে মাঠের উপর ডালে ডালে পুষ্প তার, ফুটিছে বিস্তর যৌবনকালেতে তারে সর্বলোকে খায়, হেমন্তে জন্ম তার, বসন্তে মরে যায়।
উত্তরঃ সরিষা ফুল।

(৬০) এই দেখলাম এই নাই কী বলব সবই রাজার ঠাঁয়।
উত্তরঃ বিদ্যুৎ।

(৬১) উপর থেকে পরলো বুড়ি হাত-পা তার আঠার কুঁড়ি।
উত্তরঃ কেল্লা।

(৬২) দুই অক্ষরে নাম যায় সবদেশেতে রয় সর্বদেশেই তার সুনাম দুর্নাম স্বাক্ষ্য হয়ে রয়।
উত্তরঃ নদী।

(৬৩) এক না জামিরের গাছ টোকা দিলে পরে রস।
উত্তরঃ চোখ।

(৬৪) এমন একটি ফুল যে হয় উল্টা-পাল্টা যা-ই করি একই নাম হয়।
উত্তরঃ লিলি ফুল।

(৬৫) একটু খানি গাছে রাঙ্গা বউটি নাচে।
উত্তরঃ পাকা মরিচ।

(৬৬) জমিন থেকে বেরুল টিয়ে লাল টুপি মাথায় দিয়ে।
উত্তরঃ পেঁয়াজ।



(৬৭) ঝাড়ের থেকে এলো খোজা পিছনে লাঠি, মাথায় বোঝা।
উত্তরঃ আনারস।।

(৬৮) আল্লাহর কি কুদরত লাঠির মাঝে শরবত।
উত্তরঃ আখ।

(৬৯) রাজার বাড়ির ছুড়ি এক বিয়ানেই বুড়ি।
উত্তরঃ কলাগাছ।

(৭০) আকাশে টিরিবিরি চৌড়ালে বাসা আহারে খাইলো ছা এ কেমন তামাশা।
উত্তরঃ বাজপাখি।

(৭১) আকাশের সমান দড়া বিনি কুমারের হাঁড়া বিনি কুমারের দই এমন গয়না কই।
উত্তরঃ ডাব।

(৭২) পাতাটি ঢোলা, ফলটি কুঁজো হয় তাতে দেবতার পূজো।
উত্তরঃ কলা।

(৭৩) খড়িতে জড়াজড়ি, ফলে অধিবাস ফুল নাই ফল নাই, ধরে বারো মাস।
উত্তরঃ পান।

(৭৪) হরি হরি দন্ড, ছিরি ছিরি পাত, মাণিক দন্ড, য়োলখানি হাত।
উত্তরঃ সুপারী গাছ।

(৭৫) উঠান ঠন্ ঠন্ বৈঠক মাটি মা গর্ভবতী, পুতে ধরছে ছাতি।
উত্তরঃ সুপারী গাছ।

(৭৬) এ পাড় মালসা, ও পাড় মালসা মধ্যখানে লাল তামসা।
উত্তরঃ মসুরডাল।

(৭৭) এক গাছে তিন তরকারী দাঁড়িয়ে আছে লালরিহারী।
উত্তরঃ সজনে।

(৭৮) হেতা দিলাম থান হয়ে গেল লতা ফুল নাই, ফল নাই সবই তার পাতা।
উত্তরঃ পান।

(৭৯) গা করে তার খসর মসর পাত করে তার ফেনী ফুল করে তার লাল তামাসা ফল করে কুস্তনি।
উত্তরঃ শিমূল।

(৮০) ছিটকিরি ছিটকিরি পাতা বত্রিশ ডালে বাঁকা দেখতে সুন্দর খাইতে মিষ্টি মাণিক মুক্তো করছে বৃষ্টি।
উত্তরঃ।

(৮১) কাঁচাতে যেই ফল সর্বজনে খায়, পাঁকলে সেই ফল গড়াগড়ি যায়।
উত্তরঃ ডুমুর।

(৮২) তলে মাটি উপরে মাটি তার মধ্যে সুন্দর বেটি।
উত্তরঃ হলুদ।

(৮৩) কুল কুল কুলেরি ভাদ্র মাসে ধুলোরি কাঁচায় পাকায় সবাই খায় নেংটো হয়ে হাটে যায়।
উত্তরঃ তেঁতুল।

(৮৪) রাজার বেটা রাম দাস খায় খোলা তার ফেলায় শাঁস।
উত্তরঃ চালতা।

(৮৫) ইকরের তলে তলে ভিকমতির ছানি, কোন দেশে দেখিয়াছ গাছের আগায় পানি।
উত্তরঃ নারিকেল।

(৮৬) হাতির দাঁত, কদম্বের পাত হয় শুধু ফুল খাও বসে মূল
উত্তরঃ মূলা।

(৮৭) এক থালা সুপারী গণিতে পারে কোন ব্যাপারী।
উত্তরঃ আকাশের তারা।

(৮৮) সফেদ শয্যা পড়ে আছে কেউ তাতে না শোয়, ভিতর থেকে খোলাম কুচি আঙিনাতে থোয়
উত্তরঃ সমুদ্র।n


(৮৯) সকালে চার পায়ে হাঁটে দুপুরে দুই পায়ে, সন্ধায় তিন পায়ে হাঁটে বলো তো কে যায়?
উত্তরঃ মানুষ।

(৯০) ইটে গুরুগুরু, বৈঠা নাগর বিনা বৈঠায় বায় সে সাগর।
উত্তরঃ কচ্ছপ।

(৯১) জ্বলছে তবু পুড়ছে না কোন সে প্রানী বলো তা।
উত্তরঃ জোনাকী।

(৯২) টুক্কা দিলে টাকাটা লাল শাকের ঐ ডাঁটাটা।
উত্তরঃ কেন্নো।

(৯৩) হাড়গোড় নেই কেবল মাসে। কালা কুচু জলে ভাসে।
উত্তরঃ জোঁক।

(৯৪) ছোট কালে লেজ হয় বড় কালে খসে বাঘের মত লাফ দেয় কুকেুরের মত বসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ্গ।

(৯৫) নেই পা, চলছে চাকা তবু তারা দুই ভাই চলছে কেবল শব্দ নাহি কভু।
উত্তরঃ দিনরাত্রি।

(৯৬) একটুখানি জলে মাছ কিলবিল করে কারো বাবার সাধ্য নাই হাত দিয়ে তায় ধরে।
উত্তরঃ ফুটন্ত ভাত।

(৯৭) মেটো গোয়াল, কাঠের গাই বাঁছুর ছাড়াই দুধ পাই।
উত্তরঃ খেঁজুর গাছ।

(৯৮) দেয়াল আছে, ছাদও আছে এমন এক ঘর ভিতর তার প্রবেশ করার একটাও নেই দ্বার।
উত্তরঃ মশারি।

(৯৯) লেজ, মাথা, পাখা আছে পাখি তবুও নয়, ডানা তার মেলে দিয়ে উড়ে চলে যায়।
উত্তরঃ উড়োজাহাজ।

(১০০) সারা মাথায় পক্ক কেশ মাথার ঘিলু খেতে বেশ।
উত্তরঃ তালের আঁটি।

(১০১) লাল টুকটুক ছোটমামা গায়ে পরে অনেক জামা।
উত্তরঃ পেঁয়াজ।।

(১০২) যমজ ভাই যায় আসে একবার গিয়ে না ফিরলে ধরেতে না প্রাণ থাকে।
উত্তরঃ শ্বাস-প্রশ্বাস।

(১০৩) ছোট্ট একটা ঘরে, পঞ্চাশ টুপি পরা সৈনিক বাস করে।
উত্তরঃ দেশলাই।

(১০৪) এরা বাপ বেটা ওরা বাপ বেটা আমতলা দিয়ে যায়, তিন খানা পাকা আম পেড়ে নিয়ে সমান ভাগেতে খায়।
উত্তরঃ বাপ-ছেলে-নাপিত।

(১০৫) কাঁচায় তুলতুলে পাকায় সিঁদূর যে না বলতে পারে সে ধেড়ে ইঁদুর।
উত্তরঃ মাটির হাঁড়ি।

(১০৬) চার রূপসী চার রং মিলন হলে এক রং।
উত্তরঃ পান-চুন-খয়ের-সুপারী।

(১০৭) জন্ম দিয়ে মা কাহার ফেলিয়া পালালো, পাড়া প্রতিবেশী বুঝি তাহারে পালিলো।
উত্তরঃ কোকিল।

(১০৮) অষ্ট চরণ য়োল হাঁটু মাছ ধরতে যায় লাটু শুকনো ডাঙায় পেতে জাল শিকার ধরে চিরকাল।
উত্তরঃ মাকড়সা।

(১০৯) পিতার আদেশ পেয়ে কোন যোগীবরে জননীর মাথা কাটে ভুমিতলে পাড়ে কী তাহার নাম বল শাস্ত্রে আছে লেখা বলতে কি পারো তার নাম আছে শেখা।
উত্তরঃ পরশুরাম।

(১১০) মন দিয়ে শোনা সবে কালিদাসের ছন্দ হাজার দুয়ারী ঘরে স্বামী স্ত্রীতে বন্ধ।
উত্তরঃ মশারি। (১১১

) চারি দিকে কাঁটা বেত মাথায় মুকুট খান সাহেব।
উত্তরঃ আনারস।

(১১২) সুখাদ্য মোটেও না তবু লোকে খায় হুমড়ি খেয়ে অসর্তকে পড়ি এ ধরায় বৃদ্ধরা খায় যদি, করে হায় হায় যুবকে খেলে পরে লাজে মরে যায়।
উত্তরঃ আছার।

(১১৩) ওপার থেকে এলো বুড়ি সাদা কাপড় পরে মহানন্দে বসল খেতে ঘাড় নেড়ে নেড়ে।
উত্তরঃ বক।

(১১৪) কোন দেশ ঝোলে গাছে কোন দেশ বাজে কোন দেশ বলো দেখি তেল ঘিতে ভাজে।
উত্তরঃ মরিচ, কাশী, পুরী।


(১১৫) চৌদ্দ পুরুষ ডাকছে ‘মামা’ আমিও তাই ডাকি সকলেরই মামা তিনি নাম তার কি জানি?
উত্তরঃ চাঁদ-সূর্য।

(১১৬) কোন ফলের বীজ নাই বল দেখি দাদা বলতে যদি না পারো তো বুঝবো তুমি হাঁদা।
উত্তরঃ নারিকেল।

(১১৭) এ হে হে হে হে তোমার গা ছুঁয়ে গেল কে? বুজতে পারলে বলুন কে সে?
উত্তরঃ বাতাস।

(১১৮) পানির জন্তু নয় তবুও পানিতেই বাস করে হাত নেই পা নেই তবু সাঁতার কাটে।
উত্তরঃ নৌকা।

(১১৯) তিন অক্ষরে নাম যার সবার ঘরে রয় প্রথম অক্ষর বাদ দিলে সর্ব লোকে খায়। পেট তার কেটে দিলে মধুর গান গায় শেষ অক্ষর বাদ দিলে খুব কামরায়
উত্তরঃ বিছানা।

(১২০) বলুনতো এমন কোন সে বস্তু পৃথিবীতে নেই তোমার আমার মুখের কথায় তবু আছে সে-ই।
উত্তরঃ ঘোড়ার ডিম।

(১২১) দু’অক্ষরে নাম তার বহু লোকে খায় শেষের অক্ষর বাদ দিলে হেঁটে চলে যায়।
উত্তরঃ পান।

(১২২) তিন অক্ষরে নাম ব্যঞ্জনে দেয় তাহার প্রভাবে আহা, স্বাদ ভালো হয়। মাথা কেটে গেলে সে যে গণ্য হবে কাঠি পেট কেটে ময়লা সে, নয় পরিপাটি।
উত্তরঃ মশলা।

(১২৩) দু’অক্ষরে নাম লজ্জা নিবারণী প্রথম অক্ষর বাদ দিলে হয় আমার জননী শেষের অক্ষর বাদ দিলে ভাশুর ঘরণী।
উত্তরঃ জামা।

(১২৪) আগে যায় ফিরে চায় ওটি তোমার কে ওর শ্বশুরকে আমার শ্বশুর বাবা বলেছে।
উত্তরঃ।

(১২৫) কৃষ্ণবর্ণ তণুখান গুটি ছয় পা চুপচাপ রক্ত খায় নাহি কাটে রা।
উত্তরঃ উকুন।

(১২৬) প্রাণ নেই বন্ধু নয়, চলে সাথে সাথে আলো পেলে তবে চলে দিনে কিংবা রাতে।
উত্তরঃ ছায়া।

(১২৭) তিন অক্ষরে নাম তার প্রতি ঘরে পাবে অধ্যক্ষর বাদ দিলে বৎসর বুঝাবে মধ্য অক্ষর গেলে সবার ক্ষতি করে শেষের অক্ষর গেলে সবাই অবস্থান করে।
উত্তরঃ বাসন।

(১২৮) দুই অক্ষরের নাম যার সব যায়গায় রায় প্রথম অক্ষর বাদ দিলে খাবার জিনিস হয়, শেষের অক্ষর বাদ দিলে আপনজন হয়।
উত্তরঃ মাটি।

(১২৯) দু’অক্ষরের নাম তার সবার ঘরে রয় প্রথম অক্ষর বাদ দিলে খাবার জিনিস হয় শেষের অক্ষর বাদ দিলে জন্মদাতা হয়।
উত্তরঃ।

(১৩০) তিন অক্ষরে নাম তার মেয়েরা গায়ে মাখে প্রথম অক্ষর বাদ দিলে গাছ বেয়ে উঠে মাঝের অক্ষর বাদ দিলে গাছে ফলে থাকে। শেষের অক্ষর বাদ দিলে হাঁটার পথ থাকে।
উত্তরঃ আলতা।

(১৩১) বলতে পার কোন সে দেশ সূর্য উঠে না কোন সে দেশে জলও নাই মানুষ থাকে না।
উত্তরঃ সন্দেশ।

(১৩২) তিন অক্ষর নাম, বাঙ্গালীরা খায় মাঝের অক্ষর গেলেও একই জিনিস হয়, প্রথম অক্ষর বাদ দিলে শীত পোশাক হয় শেষের অক্ষর বাদ দিলে চীনের খাদ্য হয়।
উত্তরঃ চাউল। (১৩

৩) প্রাণীর দেহে থাকলে যা শেষ অক্ষর বাদ দিলেও তা মাথা কাটলে প্রাণহীন কি এ জিনিসটা?
উত্তরঃ চামড়া।

(১৩৪) হাত নেই পা নেই মুরো লেজ আছে যেখানে সেখানে ছোটে জলে মাঠে গাছে।
উত্তরঃ সাপ।

(১৩৫) একদন্ত তবুও গণপতি নয় অতি বড় বপু তাতে প্রাণ নাহি রয় দুটি হাত পাতালের গভিরে তাহার কে বলিতে পারে এই হেঁয়ালির সার।
উত্তরঃ ঢেঁকি।

(১৩৬) যা দিবে তাই খাবে পানি দিলে মরে যাবে।
উত্তরঃ চুলা।



(১৩৭) তোমার ঘরে আমার ঘরে সবার ঘরে রয় প্রথম অক্ষর বাদ দিলে পানির রাস্তা হয় শেষের অক্ষর বাদ দিলে সবাই জ্ঞাত হয়। পেট কাটলে সবাই অস্থিত হয়। বলুনতো দিকি তা কি হয়?
উত্তরঃ জানালা।

(১৩৮) পেট ভরে না তবু খায় সর্ব প্রাণি প্রথম অক্ষর বাদ দিলে খেলার নাম হয়।
উত্তরঃ বাতাস।

(১৩৯) কোন সে গাছের নাম বল তুমি শুনি প্রথম অক্ষর বাদ দিলে বলে কথা গণি মাঝের অক্ষর বাদ দিলে ব্যবহার করে নারী।
উত্তরঃ বাবলা।

(১৪০) তিন অক্ষরে বর্ষা কি এলো মাথা কেটে কত লোক সারি বসে গেল পা কেটে চলে যায় বাতিলের দলে ঘনছায়া, সূর্যকে কিসে দেয় ঢেকে।
উত্তরঃ বাদল।

(১৪১) সাবান সোডা মাজন দিয়েও ময়লা নাহি যায় তিন অক্ষরে তারে ছাড়া রন্ধনে সংশয় হয়।
উত্তরঃ কয়লা।

(১৪২) মার্জনা করি আমি যত মলিনতা একশটি ভাই মিলে বোঝায় একতা। নারীর হাত থাকি আমি এত সম্মান তবুও শ্রদ্ধাহীন, কী আমার নাম?
উত্তরঃ ঝাঁটা।

(১৪৩) কোথাও কোন জল দেখিনা মাঠের মাঝে জল চার অক্ষরের নাম তার কী এমন সে ফল?
উত্তরঃ তরমুজ।

(১৪৪) দিতে যদি দিতে হয় শ্বশুরকুলে দিই আর যদি দিতে হয় পরপুরুষে দিই বাপের ঘরে দেব কারে, লজ্জা করে ছিঃ তুমি আমার আমি তোমার তোমায় দেব কি?
উত্তরঃ ঘোমটা।

(১৪৫) বনের মাঝে আলো করা সুন্দর সে টিয়া সোনার মুকুট মাথায় দিয়ে এলো বাহিরিয়া।
উত্তরঃ আনারস।

(১৪৬) এখান থেকে দিলাম বৃষ্টি ঐ গাছটি বড়ই মিষ্টি
উত্তরঃ আখ গাছ।

(১৪৭) আ-কার ই-কার হীন বলো কোন গ্রাম মোয়া হতে বল সোনা সেই গ্রামের নাম।
উত্তরঃ জয়নগর।

(১৪৮) ওপর থেকে পড়ল ছুরি ছুরি বলছে ঘুরে পড়ি।
উত্তরঃ বাঁশপাতা।

(১৪৯) গণপতি নয় তবে সেও গুণধর একদন্ড বলা যায় লম্বা দেহ ধর।
উত্তরঃ ঢেঁকি।

(১৫০) হাত নেই পা নেই সব মানুষকে ধরে প্রভাবে কাতর হয় মাথা নুয়ে পড়ে।
উত্তরঃ মাথা ধরা ।

(১৫১) বাঁদিক পাবে পেটটি কেটে কাটলে মাথা -মূল্য তিন অক্ষরের প্রিয় খাবার নেই কিছু তার তুল্য
উত্তরঃ বাদাম।

(১৫২) তিন অক্ষরে নাম, কাঁচায় পাকায় খায় প্রথম অক্ষর বাদ দিলে প্রাণটা চলে যায়, শেষ অক্ষর বাদ দিলে মিষ্টি সে ফল ঝটপট এখন আমায় নামটা খুলে বল
উত্তরঃ আমড়া।

(১৫৩) এমন একটি সুন্দর ফল উপরে তার ফিটফাট ভিতরে তার সদরঘাট।
উত্তরঃ মাকাল ফল।

(১৫৪) তিন অক্ষরে প্রাণী জলের পেট কাটলে নারীর গলে।
উত্তরঃ হাঙর। (১৫৫

) বলছো দুবার দাম ছুটছে নাকি ঘাম।
উত্তরঃ দরদর।

(১৫৬) ছোট ছোট বেনো বনে কত হরিণ চড়ে দশ শিকারীর দল খোঁজে তায় দুই শিকারী মারে।
উত্তরঃ উকুন।

(১৫৭) মা মেয়েতে একই সাথে নদীতে নাও বাইতে থাকে।
উত্তরঃ মাঝি (মা+ঝি)।

(১৫৮) এক ঠোঙা, ফুল ওঠে মাথা বেঁকে থাকে রোদে পোড়ে জলে ভিজে চেন নাকি তারে।
উত্তরঃ ছাতা।



(১৫৯) পাঁচ মেয়েকে তুলে দিল বত্রিশ জনের ঘাড়ে দূরে ছিল কর্তা-দিদা টেনে নিল ঘরে।
উত্তরঃ খাবার খাওয়া।

(১৬০) ডগায় খসখসে গোড়ায় মধু বলতে না পারে যে সে এক ভোঁদু।
উত্তরঃ আখ।

(১৬১) হাত নেই পা নেই তবু সে চলে অনাহরে মরে মানুষ এর অভাব হলে।
উত্তরঃ টাকা।

(১৬২) শীত কালে যার নেইকো মান গ্রীষ্ম কালে পায় সু-সম্মান।
উত্তরঃ পাখা।

(১৬৩) জন্মে ছিল ফর্সা সাদা কাজের জন্য কালো এক ডুব খায় এক গাদা মাছ নামটি তাহার বল।
উত্তরঃ জাল।

(১৬৪) কেমন স্বভাব তোর এ কেমন ধারা রাত্রে থাকিলে শুয়ে দিনে র’লি খাড়া।
উত্তরঃ মাদুর।

(১৬৫) বর্ষাকালে তিন অক্ষরে আয়েশ করে খায় কাটলে মাথা সুন্দরীদের হাতে উঠে যায়।
উত্তরঃ খিচুড়ি।

(১৬৬) এক দাঁড়া, বারো পা বলো কার আছে বাস করে জলে আর ডিম পাড়ে গাছে।
উত্তরঃ চিংড়ি।

(১৬৭) চলতে চলতে খসলো শির মাথা কাটলে চললো ফির।
উত্তরঃ পেন্সিল।

(১৬৮) গাছ নেই, শুধু পাতা মুখ নেই, কত কথা জীবন সঙ্গী করো যদিও পাও তার দেখা।
উত্তরঃ বই।

(১৬৯) হাত নেই পা নেই নেইকো আকার জীবন ধারণে এর জুড়ি মেলা ভার
উত্তরঃ।

(১৭০) জলে থাকে তবু মাছ নয় মাছ বলে বাজারে বিক্রি হয়।
উত্তরঃ চিংড়িমাছ।

(১৭১) শৈশবে সে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ বৃদ্ধকালে দাড়ির জটা মাঝখানে সুরঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ।

(১৭২) ঘর সে এমন নেই দুয়ার মাটি চাপা ছাদের পর নিঃশব্দে মানুষ বাস যায়না আলো, নেই বাতাস।
উত্তরঃ কবর।

(১৭৩) সন্ধায় জন্মায় প্রভাতেই মৃত মাথারে উপরে সে বিরাজমান যেন মনিকণা আহা শুভ্র বরণ চলে এক গতি পথে বল কোন জন।
উত্তরঃ।

(১৭৪) তিন অক্ষরের এমন দেশ পেট কাটলে খাই যে বেশ।
উত্তরঃ আসাম।

(১৭৫) সাজালে সাজে বাজালে বাজে রান্নায়ও সে কাজের। বলো কি সে?
উত্তরঃ মাটির হাঁড়ি।

(১৭৬) চোখ বড়, দীর্ঘ কেশ একটা দাঁড়া, শক্ত বেশ জলের পোকা বলতো কে কদর তার বিদেশে।
উত্তরঃ গলদা চিংড়ি। (১৭৭

) শৈশবে কেলে পানা যৌবনে লাল অবশেষে সাদা রং কার এমন হাল।
উত্তরঃ কয়লা।

(১৭৮) এক চাকার এমন চক্কর ভাঙলে ফুঁড়ে ছপ্পরা।
উত্তরঃ টাকা।

(১৭৯) নাকের ডগায় পৈতে আটকান চৈতনে মার টান গলায় ধরে দাও পটকান ঘুরতে থাকে ঘ্যানের ঘ্যান।
উত্তরঃ লাট্টু।

(১৮০) বারো মাসের কচি মেয়ে তেরো মাসে পড়ে ডাইনে বাঁয়ে গন্ডা গন্ডা ছেলে প্রসব করে।
উত্তরঃ কলা গাছ।



(১৮১) একটি পরিবারে মা-বাবা ও তাদর ৭জন ছেলে আছে॥ প্রত্যেক ছেলের একটি করে বোন আছে॥ ওই পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা কত??
উত্তরঃ ১০ জন।

(১৮২) গরমও নয়, ঠান্ডাও নয়, তবুও সেটা ফু দিয়ে খাই। বলুন তো এটার উত্তর কি ?
উত্তরঃ বাদাম।

(১৮৩) শেষ পাতে জবাব নেই, উৎসবে মনে পড়বেই। শুভ কাজের শুরুতে হবে, তোমার মুখের প্রশংসায় ও পাবে?
উত্তরঃ মিষ্টি।

(১৮৪) হাত আছে পা নাই, বুক তার কাটা। আস্ত মানুষ গিলে খায়, মাথা তার কাটা।
উত্তরঃ সার্ট।

(১৮৫) হাঁস, মুরগি, কবুতর ডিম দেয় আর গরু, ছাগল, মহিষ দুধ দেয়। বলতে হবে এমনকে আছে যে দুধ ও ডিম দুটোয় দিতে পারে?
উত্তরঃ দোকানদ্বার।

(১৮৬) কালিদাস পণ্ডিতে কয় বাল্যকালের কথা, নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয় হাজার পাতা।
উত্তরঃ আঠার হাজার পাতা।

(১৮৭) শুইতে গেলে দিতে হয়, না দিলে ক্ষতি হয়, কালিদাস পন্ডিত কয় যাহা বুঝেছ তাহা নয়।
উত্তরঃ দরজার খিল।

(১৮৮) চক থেকে এল সাহেব কোর্ট প্যান্ট পরে, কোর্ট প্যান্ট খোলার পরে চোখ জ্বালা করে।
উত্তরঃ পেঁয়াজ।

(১৮৯) পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ, বৃদ্বকালে জটাধারী মাঝখানে সুড়ঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ।

(১৯০) বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুর হয়ে বসে, পানির মধ্যে ছেড়ে দিলে সোলা হয়ে ভাসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ।

(১৯১) হাসিতে হাসিতে যায় নারী পর পুরুষের কাছে, যাইবার সময় কান্নাকাটি ভিতরে গেলে হাসে।
উত্তরঃ মেয়েদের হাতের চুঁড়ি।

(১৯২) আমি তুমি একজন দেখিতে এক রুপ, আমি কত কথা কই তুমি কেন থাক চুপ।
উত্তরঃ নিজের ছবি।

(১৯৩) কালিদাস পন্ডিতের ফাঁকি, আড়াইশ থেকে পাঁচ পঞ্চাশ গেলে আর কত থাকে বাকী।
উত্তরঃ কিছুই না, শূন্য।

(১৯৪) শোন ভাই কালিদাসের হেয়ালীর ছন্দ, দরজা আছে হাজারটা তবু কেন বন্ধ।
উত্তরঃ মশারী।

(১৯৫) শুভ্রবাসান দেহ তার, করে মানুষের অপকার। চিতায় তারে পুড়িয়া মারে, তবু সে উহ আহ না করে।
উত্তরঃ সিগারেট।

(১৯৬) জলেতে জন্ম যার, জলে ঘর বাড়ী ফকির নহে, ওঝা নহে, মুখেতে দাড়ী।
উত্তরঃ কচুরি পানা।

(১৯৭) দিন রাত ছলি ফিরি নাহি মোর অবসর দিন যায় মাস যায়, যায় চলে বছর।
উত্তরঃ ঘড়ি।

(১৯৮) চার পায়ে বসি, আট পায়ে চলি বাঘ নয়, ভালুক নয়, আস্ত মানুষ গিলি।
উত্তরঃ পালকি। (১৯৯

) আম নয়, জাম নয়, গাছে নাহি ফলে তবু সবাই তারে ফল নাম বলে।
উত্তরঃ পরীক্ষার ফল।

(২০০) হাত নাই, পা নাই, এ কেমন রসিক নাগর আনায়েসে পার হয় নদী কিংবা সাগর।
উত্তরঃ নৌকা/জাহাজ।

(২০১) মাথা ছোঁটে ‘ছিল’ তার পেট কাটা ‘মিল’ গোটা নিয়ে হেঁটে হেঁটে খোলে পায়ের খিল।
উত্তরঃ মিছিল।

(২০২) পেটটা ফেলে অল্প পেলে পা গেলে পাও যন্ত্র তিন অক্ষরে সবটা লেখায় এমন ষড়যন্ত্র।
উত্তরঃ কলম।


(২০৩) শুরুতে বারণ কর মাথা ছাড়া চলতে বল দু’অক্ষরে সব মিলিয়ে থামবো কোথায় সময়টা বল।
উত্তরঃ নাচ।

(২০৪) মাথা কাটলে যেটুকু পেলে পেট কাটলেও তাই তিন অক্ষরে রাতের বেলা পাহাড়া দিয়ে যাই।
উত্তরঃ কুকুর।

(২০৫) রান্না করতে লাগে এটা পেট কাটলে অন্য কাটলে মাথা নেই দোষ, তিন অক্ষরে গণ্য।
উত্তরঃ আগুন।

(২০৬) ওড়ে তবু পাখি নয় নামখানি কী তার চোখ নেই তাই কানে শুনেই খোঁজে বাহির-দ্বার।
উত্তরঃ বাঁদুর।

(২০৭) কচুরও হয়, কানেরও হয় কোন সে জিনিসটি উলটে পাবে শষ্যদানা নামটি বল কী?
উত্তরঃ লতি।

(২০৮) বলেনতো একজন নারী কি করে ৩০ দিন না ঘুমিয়ে কাটাতে পারে?
উত্তরঃ রাতে ঘুমিয়ে।

(২০৯) বলেনতো নেপোলিয়ান কোন যুদ্ধে মারা গিয়েছিল।
উত্তরঃ তার জীবনের শেষ যুদ্ধে।

(২১০) বলেনতো বিশ্বের সমস্ত দেশের স্বাধীনতার সাক্ষর কোথায় হয়েছিল?
উত্তরঃ চুক্তি পত্রের শেষ পাতার নিচের অংশে।

(২১১) ১০ জন মানুষ ১০ ঘন্টায় ইট দিয়ে একটি দেয়াল তৈরি করল, ঐ দেয়ালটি চার জন মানুষের তৈরি করতে কত সময় লাগবে?
উত্তরঃ কোন সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটি অলরেডি তৈরি আছে।

(২১২) How Can you lift an elephant with one hand?
উত্তরঃ You can never find an elephant that has one hand.

(২১৩) একটি অর্ধেক আপেল দেখতে ঠিক কিসের মত?
উত্তরঃ ঠিক একেবারে আপেলের বাকি অর্ধেকের মত....।

(২১৪) ব্রেকফাস্টে আপনি কি কখনো খেতে পারবেন না?
উত্তরঃ লাঞ্চ এবং ডিনার।

২১৫) যদি আপনার এক হাতে তিনটি আপেল ও চারটি কমলা এবং অপর হাতে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা থাকে তবে কি বুঝতে হবে?
উত্তরঃ বুঝতে হবে আপনার হাত অনেক বড়।

(২১৬) কি করে একটি কাচা ডিমকে না ভেংগে কংক্রিটের ফ্লোরে ফেলতে পারবেন?
উত্তরঃ আপনি যে ভাবে ইচ্ছে ফেলতে পারেন, কেননা ডিম যেভাবেই পরুক কংক্রিটের ফ্লোর কখনো ভাংবে না।

(২১৭) সুপারম্যান খ্যাত অভিনেতা ক্রিস্টোফার রীভকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল -সুপারম্যান আর জেন্টেলম্যান এর মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তরঃ তিনি গম্ভীর মুখে উত্তর দিলেন- সহজ পার্থক্য। জেন্টেলম্যানরা আন্ডারঅয়্যার পরে প্যান্টের নিচে আর সুপারম্যান পরে ওপরে।
                                                  ধাধার আসর
(২১৮) কোন প্রানীর বুদ্ধি সবচেয়ে উঁচুতে ?
উত্তরঃ জিরাফ।

(২১৯) অষ্ট্রেলিয়া আবিষ্কারের আগে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি ছিল?
উত্তরঃ অস্ট্রেলিয়া।

(২২০) মানুষ রাতে কেন বিছানায় যায়?
উত্তরঃ কারন রাতে বিছানা তার কাছে আসে না। (২২১

) মাথা কাটলে যুদ্ধ হয় লেজ মুড়োলে শাপ কী দেয়? সবটা মিলে জীবণ শেষ তিন অক্ষরের এই আদেশ।
উত্তরঃ।

(২২২) মাথা কেটে ফেলছে ফাঁদ সিক্ত কেটে চরণ তিন অক্ষরের আসল কোথায় নকল যে, আ মরণ।
উত্তরঃ ভেজাল।

(২২৩) মৃত দেহ মুন্ডু ছাড়া পেয়ে ছিলাম শিশুকালে আবার পাওয়া শক্ত।
উত্তরঃ শৈশব।

(২২৪) ডানা ছাড়া উরে চলে মুখ ছাড়া ডাকে কুব চিড়ে আলো দিয়ে বল তো কে হাঁকে।
উত্তরঃ মেঘ।


(২২৫) বিবাদেও থাকে মান কি পাখির ভাই প্রাণ দিয়ে ওড়ে তবু তার প্রাণ নাই।
উত্তরঃ বিমান।

(২২৬) গোরুর পিছনে রাখলে পন জানতে পারে না জগৎজন।
উত্তরঃ গোপন।

(২২৭) টক ঝাল খেয়ো সার চা নিলে পাবে আর।
উত্তরঃ আচার।

(২২৮) মুখে বল বাহা রে লেজ নাই আহা রে ছুতো-নাতা অজুহাত বল দেখি, কেয়া-বাত?
উত্তরঃ বাহানা।

(২২৯) শীতের শেষে রাজা এলো মুড়িয়ে মাথা সাধু হলো পা কেটেছে? বসতে বলো।
উত্তরঃ বসন্ত।

(২৩০) শীত কালে যে গায়ে উঠে অথচ ওই বনে এক পায়েতে দাঁড়িয়ে আছে স্বজাতিদের সনে।
উত্তরঃ শাল।

(২৩১) ফলের ওপর পাতার মুকুট শরীর ভরা চোখ আনন্দেতে মিষ্টি সে ফল নুন দিয়ে খায় লোক।
উত্তরঃ আনারস।

(২৩২) নেই তো শরীর তবু সে ভালো সে ছাড়া ভাই জগৎ-কালো
উত্তরঃ আলো।

(২৩৩) শির ছেঁড়া লতা শেষ ছাঁটা কথা ক্ষুদ্র সে পতঙ্গের দংশনে ব্যাথা
উত্তরঃ বোলতা।

(২৩৪) মাথার উপর পা চাপিয়া উল্টো কথা ‘কই’তিন অক্ষরে প্রশাসনে আমরা মশাই রই
উত্তরঃ পাইক।

(২৩৫) মাথা কাটলে খাটনি বুঝি পেট কাটলে হয় গাছে তিন অক্ষরে শান্তির এমন জায়গা কোথায় আছে।
উত্তরঃ আশ্রম।

(২৩৬) মা ছাড়া ভাই ইংরেজীতে শরীরটা খারাপ মা থাকলে করতে পারি পথের পরিমাপ।
উত্তরঃ মাইল।

(২৩৭) জননী থাকলে সপ্ত মাঝ সাঙ্গ হল তো সকল কাজ।
উত্তরঃ সমাপ্ত।

(২৩৮) তিন অক্ষরে নাম তার জঙ্গলেতে বাস করে শেষ অক্ষর বাদ দিলে সর্বনাশ ঘটে। মাঝের অক্ষর বাদ দিলে ঘোড়ে সপ্তাময় শিরোচ্ছেদে কী আশ্চর্য জীব শ্রেষ্ঠ হয়।
উত্তরঃ বানর।

(২৩৯) দিয়ে না তার ঠ্যাং ভেঙে যদি পাও থাকলে সবটা, দ্বিধাহীন তুমি নাও।
উত্তরঃ পাওনা।

(২৪০) কাটলে মাথা জল সে অথৈ কিম্বা ধণুর শর তিন অক্ষরের সবটা ফেলে ময়লা সাফাই কর।
উত্তরঃ সাবান।

(২৪১) মৎস্য মকর নহে পাণী পাণী বুলে হাঙ্গর কুম্ভীর নহে দেখিলে সে গিলে গিলিয়া উগারে সেই দেখে জনগণ হিয়ালী প্রবন্ধে পন্ডিত দেহ মন।
উত্তরঃ প্রদীপ।

(২৪২) দেখিতে রূপ দুই মুখ এক কায় এক মুখে উগারয়ে অন্য মুখে খায় মরিলে জীবন পায় হুতাস পরশে বুঝ হে পণ্ডিত ভাই সভামাঝে বৈসে।
উত্তরঃ নৌকা। (২৪৩

) জীয়ন্তে মৌন সেই মৈলে ভাল ডাকে গায়েতে নাইকো ছাল বিধির বিপাকে সেবা করিয়া থাকে দেবতার স্থানে অবশ্য আনয়ে নর মঙ্গল বিধানে।
উত্তরঃ উনুন।

(২৪৪) যোগী নয় সন্ন্যাসী নয় মাথার হুতাশন ছেলে নয় পিলে নয় ডাকে ঘনঘন চোর নয় ডাকাত নয় বর্শা মারে বুকে কন্যা নয় পুত্র নয় চুমু খায় মুখে।
উত্তরঃ নারিকেল।

(২৪৫) ধোঁয়াতে নিশান যদি জুড়ে দাও ভাই আকাশে অমনি তারে দেখিবারে পাই।
উত্তরঃ ধুমকেতু।

(২৪৬) প্রথম অক্ষর বলব না, শেষের কথা টক, দেখবো কেমন বলতে পারো, চতুর পাঠক?
উত্তরঃ নাটক।


(২৪৭) মাপতে লাগে কাপড় খানি দাবার ছকেও আছেন উনি।
উত্তরঃ গজ।

(২৪৮) আমরা যমজ ভাই দাদার মাথায় বোজা আমার মাথায় নাই।
উত্তরঃ ধাঁধা ।

(২৪৯) তিন অক্ষরে অগভীর বন মাঝে কেটে পাও বারি পা বাদ গেলে যুদ্ধ লাগবে সামলাও তারাতারি।
উত্তরঃ জঙ্গল।

(২৫০) উল্টো সোজা একই রয় লেজ বাদে তার সংখ্যা নয় তিন অক্ষরে সামনে বসে সবাইকে রঙ রূপ দেখায়।
উত্তরঃ নয়ন।

(২৫১) সমস্তটা মুখরোচক প্রায় সকলের প্রিয় কাটলে মাথা সংখ্যা মেলে মাঝখানে পানীয়।
উত্তরঃ আচার।

(২৫২) তিন অক্ষর সে যে আলোকবিহীন সাজে মাথা বাদ দিলে ঋণের বোঝা সাজে পা বাদ দিলে পুরোটা সে নয় যে।
উত্তরঃ আঁধার।

(২৫৩) গোলের গোড়া কণের স্বামী বর্জ্য হলেও শুদ্ধ মানি।
উত্তরঃ গোবর।

(২৫৪) পলক ফেলে দেখিস কি শির কেটে প্রথম রাশি।
উত্তরঃ নিমেষ।

(২৫৫) এতটুকু মেয়ে, তার লাল টুকটুকে বরণ রাজা বাদশাও কেঁদে আকুল এমন স্বভাব ধরণ।
উত্তরঃ পাকা মরিচ।

(২৫৬) মাথা কেটে নারদের পা রেখে মাথায় গলানো এ রূপো নাকি তাপ মাপা যায়।
উত্তরঃ পারদ।

(২৫৭) প্রথম শেষে গাঁথবে মালা দুই তিন মিলে হই পাত্র চার অক্ষরে আর কেউ নই খেলার জিনিস মাত্র।
উত্তরঃ ফুটবল।

(২৫৮) পেট কাটলে গলায় শোভা তিন অক্ষরের শব্দ জিতলে খুশি হারলে হবে ভিটে মাটি জব্দ
উত্তরঃ মামলা।

(২৫৯) শেষ বাদে হই মাথার শোভা মুন্ডু কেটে তীর সিংহ মায়ায় পরবে মনে হয়ো না অস্থির।
উত্তরঃ কেশর।

(২৬০) মিষ্টি ফকির যাযাবর সস্তা তো নয় বেশ দর।
উত্তরঃ দরবেশ।

(২৬১) আসছে কথা ভাসছে কথা কানের থেকে কানে বেতার জিনিস আসলে কী বুদ্ধিমানেই জানে।
উত্তরঃ মোবাইল।

(২৬২) গান শোন কথা শোন বলার উপায় নাই কেবল শ্রুতির সব বিনোদন হাওয়া থেকে পাই।
উত্তরঃ রেডিও।

(২৬৩) দাঁড়ায় না সে, বসে নাকো চলাই যে তার কাজ তত্ত্ব তাহার যে না বোঝে মাথায় পড়ে বাজ।
উত্তরঃ সময়।

(২৬৪) ওজন হবে না, লোক থাকবে না, তারে তারে আসা যাওয়া কথা কইব না, শব্দ করবে এক গ্রামখানি খাসা
উত্তরঃ টেলিগ্রাম। (২৬৫

) রোহি রোহিত দর্প গভীর পুস্করে। একাঙ্গুল জলে পুঁটি ছটফট করে।
উত্তরঃ ভাত।

(২৬৬) শৈশবে নিল না ঘরে নিল বৃদ্ধকালে কাহিল করিল মোরে ভেঙে, পায়ে দ’লে। পিটাইয়া তুলি দিল মোর যত চাম; অবশেষে দিল মোরে শ্রেষ্ঠ সম্মান।
উত্তরঃ ধান।

(২৬৭) ছোট্ট পুকুর দুটি, কালো জলে ভরা মাঝে তাহার কাটে সাঁতার কালো মানিক জোড়া ফেলল পাথর পুকুরেতে বহে জলের ধারা।
উত্তরঃ চোখ।

(২৬৮) বাচ্চা কে সে এমন মায়ের পেটে নেয়নি জন্ম বাপ দেখেনি কেমন খায় না কিছু, তেষ্টা ভীষণ জল শুধু খায় দু’মন।
উত্তরঃ চৌবাচ্চা।


(২৬৯) বকবক করে বেশি, ভারী হলে খুব খুশি চুপচাপ পড়ে থাকে লোকে তাকে কাঁখে রাখে।
উত্তরঃ মাটির কলসী।

(২৭০) আজব কথা শোনা যায় হাতে-মূখে-পায়ে খায় মাটির ভিতর মুখ- তার কাছেই জীয়ন মন্ত্র এবং মহাসুখ
উত্তরঃ গাছ।

(২৭১) হাজার গেলেও নেই দুখ একজনেই বাড়ায় সুখ।
উত্তরঃ চাঁদ।

(২৭২) চারপাশে লেপামোছা মধ্যিখানে আসন পাকা ওটার জন্যেই টিকে থাকা।
উত্তরঃ টিকি।

(২৭৩) ধুপধুনো জ্বেলে রাখো ক্ষুদ্র আমি-তবু ভয় কারণ আমি মহাশয়।
উত্তরঃ।

(২৭৪) সব কিছুতে তড়বড় করে শুধু ফরফর ওড়ে, তবু পাখি নয় বলো দেখি কি হয়?
উত্তরঃ আরশোলা।

(২৭৫) মাঠের ধারে নদীর পারে ভন্ড সাধু জপটা সারে মীন শিশুরা দেখতে গেলে এক পালকে গিলে ফ্যালে।
উত্তরঃ বক।

(২৭৬) বিধাতা নির্মাণ করে নাহিক দুয়ার তাহাতে পুরুষ এক বৈসে নিরাকার যখন পুরুষবড় হয় বলবান। বিধাতার সৃজন ঘর করে খান খান।
উত্তরঃ ডিম।

(২৭৭) মস্তকে করিয়া আনে হয়ে যত্নবান অপরাধ বিনে তার করে অপমান অপমানে গুণ তার কখন না যায় অবশ্য করিয়া দেয় সম্বল উপায়।
উত্তরঃ ধান।

(২৭৮) বিষ্ণুপদ সেবা করে বৈষ্ণবে সে নয় গাছ পল্লব নয় কিন্তু অঙ্গে পত্র হয় পন্ডিতে বুঝিতে পারে দু চারি দিবসে র্মূখেতে বুঝিতে নারে বৎসর চল্লিশে।
উত্তরঃ।

(২৭৯) বেগে ধায় রথযান না চলে এক পা না চলে সারথি তার পসারিয়া গা হিঁয়ালি প্রবন্ধে পণ্ডিত দেহ মতি অন্তরীক্ষে যায় রথ ভূতলে সারথি।
উত্তরঃ ঘুড়ি।

(২৮০) তৃষ্ণায় আকুল সেই জল খাইলে মরে স্নেহ নাহি করিলে তিলেক নাহি তরে উগারয়ে অন্য বস্তু অন্য করে পান সখা সঙ্গে আলিঙ্গনে ত্যজ্যয় পরাণ
উত্তরঃ দাবানল।

(২৮১) মাথা পেট যাই কাটো না থাকবে পড়ে মাথা পা গেলে সে রাখবে ধরে, তরল পদার্থটা তিন অক্ষরে বিখ্যাত নাম পারবে কি তা বলতে?
উত্তরঃ শিশির।

(২৮২) নেইকো চাকা চলছে গাড়ি সঙ্গে চলে লোকটা সামনে গেলেই বন্ধ দুয়ার নেই আলাপের ঝোঁকটা।
উত্তরঃ শামুক।

(২৮৩) ভিখারি সে নয় তবু হাত পেতে চায় পুরোহিত নয় তবু ঘন্টা বাজায়। সে পাগল তবু নয় বলতে কি পারো ভাই তার পরিচয়।
উত্তরঃ।

(২৮৪) পা যদি যায় পিঠে দেবে ইংরেজের ও সেপাই পেটটা গেলে ইংরেজিতে ওর কাছে ঠেলা পাই।
উত্তরঃ পুলিশ।

(২৮৫) আগুন নেই পড়ছে গা ফোস্কা নেই নেইকো ঘা বলতে পারো মোর দশা।
উত্তরঃ জ্বর।

(২৮৬) গাছ নেই পাতা আছে খনি ছাড়া মণি আকাশ ছাড়াই তারা ফোটে কোথা শুনি।
উত্তরঃ চোখ। (২৮৭

) কান ধরে দেখায় তবু তারপরও রাগ নেই চোখে চোখ রাখছে এমন পরম যেন-সেই।
উত্তরঃ চশমা।

(২৮৮) চার অক্ষরের ফলটি এমন এক দুয়ে পাও খাজনাই এক তিনে তার অল্প হলেও দুই চারে চা-দুই নাই।
উত্তরঃ করমচা।

(২৮৯) ঘরের প্রধান তিন অক্ষরে পায়ে ভাসুরের বউ পা ফেলে কার মূল্য মেলে বলতে পারো কেউ।
উত্তরঃ দরজা।

(২৯০) এরে মধ্যে দিয়ে দেখ জগচ্চরাচর মাথা পায়ে এক করে পাও অলিন্দর একে দুয়ে অবাঙালী বলে ওঠে প্রাণ তিন অক্ষরে বল কি তা? কার এত জ্ঞান।
উত্তরঃ জানালা।

(২৯১) বুকের কাছে আহ্লাদী যেই গুণ গুণ গান গায় আমনি গালে গাল ঠেকিয়ে প্রাণের কথা কয়।
উত্তরঃ মোবাইল ফোন।

(২৯২) আসলে বর্জ্য, তবুও কাজের রোদে পুড়িয়ে, জ্বালিয়ে আগুন তবে পাই আমি মুক্তি পাই।
উত্তরঃ গোবর।

(২৯৩) পন্ডিত বাড়ি রয়েছে যে ধান চোখ দিয়ে খেতে হয় পেট ভেরে না, জ্ঞান বাড়ে নিশ্চয় এ কথাটি মিথ্যা নয়।
উত্তরঃ বই ও বিদ্যা।

(২৯৪) ধুলে যায় না, ময়লা যার কালো তাবে কয়লা নয়।
উত্তরঃ কালো হীরা।

(২৯৫) জন্মায় একই মায়ের পেটে আমি অনেক দামী ছোটটি তাই রেগে আগুন লাল করে মূখখানি।
উত্তরঃ হীরে আর কয়লা।

(২৯৬) কোন সে মালায় নেই কোন ফুল দোলে না কারো বুকে গলায় নহে, চলে কেবল মুখের থেকে মুখে।
উত্তরঃ কথামালা।

(২৯৭) দেখছো ছবি শব্দে ভরা হাওয়া থেকেই তাদের ধরা কোন সে জিনিস বল সে না হলে, উরিব্বাবা এ যুগ যে অচল হলো।
উত্তরঃ টেলিভিশন।

(২৯৮) গাছে ফলানো কানা ফল উল্টে দিলো তলিয়ে চল।
উত্তরঃ তাল।

(২৯৯) চোর নয় ডাকাত নয় তবু কয়েদ ঘরে সময় মতো ঘাড় ধরে তার মুখ ঘষে খুব করে।
উত্তরঃ দিয়াশালাই।

(৩০০) ঈশ্বর সে চঁন্দ্রের সাথে করছে সহবাস জলহীন সেই সুধার্ণবে সাক্ষরতার বাস।
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

(৩০১) বোর মধ্যে লাগিয়ে ‘ক’ স্বর্ণ নিয়ে ওর কাছে চ।
উত্তরঃ সেকরা।

(৩০২) দীক্ষা দেন না এমন গুরু মন্ত্র দেন কানে তবু তাকে গুরু বলেই অনেক লোকে যানে।
উত্তরঃ কবি গুরু।

(৩০৩) বলতে পারো কোন সে কবি বাংলা গজল গায় নলের ভিতর বউকে রেখে নামটি জানা যায়।
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম।

(৩০৪) বাতের স্বামী তিনি আছেন বিভোর হয়ে কোন কবি গানের ডালায় ভক্তি আনে বয়ে?
উত্তরঃ রজনীকান্ত সেন।

(৩০৫) প্রাণী এবং কৃ্ষ্ণ-পিতার পেটের মাঝে ‘না’ পাঁচ অক্ষরে কোন সে কবি বলতে পারো তা।
উত্তরঃ জীবনানন্দ দাশ।

(৩০৬) বাপের দেওয়া নামে তেমন নেই কো পরিচিতি গুরুর দেওয়া নামে তাঁহার বিশ্বজোড়া খ্যাতি ভিখারি বেশ, কিন্তু পায়ে রাজারা লুটায়, তাঁর প্রসাদে বিশ্ব ভারত শ্রেষ্ঠ আসন পায়।
উত্তরঃ স্বামী বিবেকানন্দ।

(৩০৭) ইংরেজিতে নতুন লিখে পাশে ওজন মান বিখ্যাত এক বিজ্ঞানীকে অমনি খুজে পান।
উত্তরঃ নিউটন।

(৩০৮) হাল আমলের কম্প্যুটারের জন্মদাতা তিনি বলো দেখি কোন নামেতে আমরা তাকে চিনি?
উত্তরঃ চার্লস ব্যাবেজ। (৩০৯

) যুক্তি দেওয়া অঙ্ক প্রথার আবিস্কারক কে? পারিস যদি চট করে তার নামটা বলে দে?
উত্তরঃ জর্জ বুল।

(৩১০) কোন সে বাঙ্গালি, খৃষ্টান হলো হতে ইংরেজি কবি, বাঙলা ভাষায় অবশেষে হলো যুগান্তর এক কবি।
উত্তরঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

(৩১১) বনের সঙ্গে গ্রাম, বল স্টেশনের নাম?
উত্তরঃ বনগাঁ।

(৩১২) চারটি আখরে যত দাও নাও যাবে না মাপা কী গোনা একে তিনে হেথা বিজ্ঞানী করে পরমানু গবেষনা।
উত্তরঃ ভালোবাসা।


(৩১৩) দেশ থেকে যাও দেশান্তরে নেই খরচের ভয় যতই ঘোরো নেইকো মানা খেললে খেলা নয়।
উত্তরঃ গ্লোব দেখা।

(৩১৪) সদাই বাড়ায় চাঁদ পানে হাত কেটে মাথা দেয় মন পেট পড়ে গেলে আর এক বিপদ ঘটতে পারে প্লাবন।
উত্তরঃ বামন।

(৩১৫) ব্যবহার একেই কয় মাথা গেলে পা রয়।
উত্তরঃ আচরণ।

(৩১৬) মুন্ডু কেটে খায় পেট গেলে প্রাণ পায় দেশটা এমন উন্নত সকলে জয় গায় কত।
উত্তরঃ জাপান।

(৩১৭) মাথা কাটলে মূল্য পাবে এবং একে শেষ তিন অক্ষরে কাকু জানায় ভাইপোর উদ্দেশে।
উত্তরঃ আদর।

(৩১৮) শেষ দিয়ে শুরু কর দুটি অক্ষরে, একে তিনে ‘এটি’ বল সাধু ভাষা ধরে, একে চারে আফসোস স্বর তুলে গলে অতীতের কথা চারি অক্ষরে বলে।
উত্তরঃ ইতিহাস।

(৩১৯) অল্প দিলে ভাল লাগেনা, বেশি দিলে বিষ শাশুড়ি বলে বৌকে আন্দাজ মত দিস।
উত্তরঃ লবণ।

(৩২০) ফুটোর মাঝে ডুকিয়ে নাড়াচাড়া করে কখনো বোজে, কখনো খুলে থাকে ঘরে।
উত্তরঃ তালাচাবি।

(৩২১) বিয়ের সময় দাদা দেয় একবার সারাজীবন বৌদি দেয় দেয় বারবার।
উত্তরঃ সিঁদুর।

(৩২২) ঢোকেনা, তবুও ঢোকাও কেন পরের মেয়ে কাদাও, পারলে উত্তর দাও?
উত্তরঃ হাতের চুড়ি।

(৩২৩) আইছি কাজে, কইনা লাজে, আছে দুই লরা তার মাঝে।
উত্তরঃ গাভির দুধ।

(৩২৪) ঘসা দিলে মিটে আশা নইলে পড়ে সব নিরাশা।
উত্তরঃ ম্যাচ।

(৩২৫) বুড়োদের ন’বার ছ’বার ছোকরাদের একবার।
উত্তরঃ সুই সুতা পরান।

(৩২৬) ফুটোর মধ্যে দিয়ে ফাটা, নড়েছরে পড়ে আঠা, বল, কি বুঝেছিস বেটা?
উত্তরঃ দোয়াত, কলম, কালি।

(৩২৭) দুই ঠ্যাং ছড়াইয়া, মাঝে দিল ভরিয়া আপন কাজ করিয়া, পড়ে দেয় ছাড়িয়া।
উত্তরঃ যাতি দ্বারা সুপারি কাটা।

(৩২৮) হাত আছে পা আছে মাথা তার কাটা আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার ফাটা।
উত্তরঃ শার্ট।

(৩২৯) পাচ বেটায় ধরে, বত্রিশ বেটায় করে এক বেটা ধাক্কিয়ে নেয় ঘরে।
উত্তরঃ ভাত খাওয়া।

(৩৩০) এটার ভিতর ওটা দিয়া দুজনে রয় শুইয়া বাইরের লোকে যত ঠেলে , মুখটি মোটে নাহি খোলে।
উত্তরঃ দরজার খিল। (৩৩

১) চিৎ করে ফেলে উপর করে এমন করা করে, গহ্না শুদ্ধ নড়ে।
উত্তরঃ গয়না পড়ে শীল পাটায় মসলা বাটা।

(৩৩২) দৌড়িয়ে গিয়ে জরিয়ে ধরে করছে টানাটানি মধ্যখানে খিল মেরেছে ভিতরে পড়েছে পানি।
উত্তরঃ খেজুর গাছ থেকে রস পড়া।

(৩৩৩) জামাই এল কাজে বলতে পারিনা লাজে, আমার একটু কাজ আছে দুই ঠ্যাঙয়ের মাঝে।
উত্তরঃ গাই দোহান।

(৩৩৪) শুইতে গেলে দিতে হয় না দিলে ক্ষতি হয়।
উত্তরঃ দরজার খিল।



(৩৩৫) গলা জরিয়ে আসে রসিক যুবতী কোমরে বসায়ে সমতনে বসতি।
উত্তরঃ কলসি।

(৩৩৬) বেটির নাম পার্বতী নাচতে নাচতে গর্ভবতী।
উত্তরঃ নাটাই সুতা।

(৩৩৭) মুখেতে খেলে চুমু হাসে খল খল পেটের মাঝে শুধু জল করে ছল ছল।
উত্তরঃ হুক্কা।

(৩৩৮) বলুন তো কি সেই জিনিস যেটা আপনি কাউকে দিলেও রাখতে আপনাকেই হবে ?
উত্তরঃ কথা দিলে বা ওয়াদা দিলে।

(৩৩৯) ১ পাউন্ড পালকের চেয়ে ১ পাউন্ড লোহা কতগুন ভারী?
উত্তরঃ দুটাই সমান।

(৩৪০) কখন ১২ এর অর্ধেক ৭ হয়?
উত্তরঃ অঙ্কে যখন ভুল হয়।

(৩৪১) ৪/ কখন ১১ এর সাথে ২ যোগ করলে ১ হয়?
উত্তরঃ 11 টার পর আর 2 ঘন্টা হলে 1 টা হয়।

(৩৪২) কোন জিনিসটি আপনার কিন্তু আপনার বন্ধুরা সবচেয়ে বেশী USE করে?
উত্তরঃ নাম।

(৩৪৩) একজন মানুষ দশম তলায় বসবাস করেন। রোজ সকালে তিনি লিফ্টে করে একতলায় নামেন এবং কাজে চলে যান। তিনি যদি বর্ষাকালে সন্ধ্যায় ফিরে আসেন অথবা যদি লিফ্টে অন্যান্য মানুষ থাকে, তাহলে তিনি সরাসরি লিফ্ট ব্যবহার করে দশম তলায় তার বাসায় চলে যান। অন্যথা, তিনি সিঁড়ি দিয়ে সপ্তম তলায় যান এবং বাকি তিনতলা হেটে উঠেন। কেন আপনি ব্যাখ্যা করতে পারেন?
উত্তরঃ কারণ মানুষটি খাঁটো। তিনি উঠার সময় সাত তলার সুইচ টিপতে পারেন। দশম তলার সুইচ নাগাল পান না। সাত তালা পর্যন্ত সুইচ টিপতে পারেন।।

(৩৪৪) খোলা প্রান্তরে দুজন লোক পরে আছে। একজন জীবিত অন্য জন মৃত।দুজনের কাধে একটি করে ব্যাগ রয়েছে। জীবিত জনের ব্যাগ খোলা এবং মৃত জনের ব্যাগ বন্ধ। বলতে হবে তাদের ব্যাগে কি ছিল ?
উত্তরঃ প্যারাসুট।।

(৩৪৫) আটটি ৮ ব্যবহার করে কিভাবে ১০০০ তৈরি করা যাবে ? (শুধুমাত্র যোগ চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে )
উত্তরঃ ৮৮৮+৮৮+৮+৮+৮=১০০০।

(৩৪৬) আসাদ সাহেব খুন হয়েছেন। পুলিশ ইনস্পেক্টর সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ১ম সন্দেহভাজন (ভাগিনা) : আমি তখন রাত দশটার সংবাদ দেখছিলাম। সংবাদ মাত্র শুরু হয়েছিল। শিরোণামগুলো দেখাচ্ছিল। চতুর্থ শিরোণামে যখন ক্রিকেটের কথা বলছিল তখন হঠাত আমি একটা চিতকার শুনতে পাই। উঠে গিয়ে দেখি মামা উপুড় হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। ২য় সন্দেহভাজন (ভাতিজা) : আমি তখন গল্পের বই পড়ছিলাম। হুমায়ূন আহমেদের আজ আমি কোথাও যাবো না। ১২ নম্বর শেষ করে পৃষ্ঠা উল্টিয়ে যখন ১৩ নম্বর পৃষ্ঠা পড়া শুরু করতে যাচ্ছিলাম, তখনই চিতকারটা শুনতে পাই। উঠে গিয়ে দেখি চাচা কাত হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। আর আমার ফুফাতো ভাই তার পাশে হতভম্ভ হয়ে বসে আছে। ৩য় সন্দেহভাজন (লজিং মাস্টার) : আমি তখন নেট ব্রাউজ করছিলাম। অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের নতুন ভার্সনটা আপগ্রেড করা ছিল না বলে ইউটিউব ভিডিও গুলো চালাতে পারছিলাম না। তাই গুগলে সার্চ দিয়ে সফটপিডিয়া থেকে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের লেটেস্ট ভার্সনটা যখন সবেমাত্র ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড করতে যাচ্ছিলাম, তখনই চিতকারটা আমার কানে আসে। ছুটে গিয়ে দেখি আংকেল সোজা হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। তার ভাগিনা তার পাশে বসে আছে আর ভাতিজা তার পাশে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ইনস্পেক্টর তার নোটখাতায় এই তিন সন্দেহভাজনের একজনের নামের পাশে স্টার চিহ্ন দিলেন - অর্থাত্‍ একে আরো বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। বলতে পারেন কোন ব্যক্তির নামের পাশে তিনি স্টার চিহ্ন দিয়েছিলেন এবং কেন?
উত্তরঃ সন্দেহভাজন হল ভাতিজা।

(৩৪৭) আপনাকে আপনি দেখতে চান। কোন আয়না ব্যবহার না করে কি ভাবে সম্ভব।
উত্তরঃ মোবাইলে ছবি তুলে।

(৩৪৮) চার
টি মেয়ে তাদের নিজেদের বয়সের গড় নির্ণয় করতে চাইছে। কিন্তু সমস্যা হল, তারা কেউই নিজের বয়স অন্য কাউকে জানাতে রাজি নয়। নিজের বয়স একে অন্যকে না জানিয়ে তারা কিভাবে তাদের বয়সের গড় নির্ণয় করতে পারবে? উত্তরঃ ১ম জন তার বয়সের সাথে অন্য কোনো একটি সংখ্যা যোগ করে যোগফলটি লিখে রাখবে। এভাবে

২য়, ৩য়, ৪র্থ জন নিজ নিজ বয়স যোগ করে যেতে থাকবে, এবং আগের ফল মুছে ফেলবে (না মুছলেও সমস্যা নেই)। সবশেষে ১ম জন আবার বাড়তি সংখ্যাটি বাদ দিয়ে দেবে। ফলে ৪জনের মোট বয়স পাওয়া যাবে। সেখান থেকে গড় বের করা যাবে, কেউই কারো বয়স জানবে না।অথবা খুবি সহজ অনেকভাবেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়। যেমন মনে করেন একটা টাকা জমানোর মাটির ব্যংগের ভিতরে তারা কাউকে না দেখিয়ে যার যত বয়স তত টাকা ভরলো ( সব এক টাকার পয়সা ) তারপর সেই টা ভেংগে টোটাল থেকে চার দিয়ে ভাগ করলো। (৩৪৯) জেনিশার আব্বু তার প্রতি জন্মদিনে এক হাজার টাকা করে ব্যাংকে জমা করেন। কিন্তু জেনিশার যখন ১৮ বছর পূর্ন হল দেখা গেলো অ্যাকাউন্টে মাত্র চার হাজার টাকা জমা আছে। কারনটা কি?
উত্তরঃ জেনিশা ২৯ ফেব্রুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেছিল।

(৩৫০) হাত দিয়া লারে ছাড়ে ছেব দিয়া খাড়া করে ফাক পাইলে ডুকাইয়া দেয বললেতো কি হতে পারে সেটা না পারলে সারেনডার করবেন ইটা
উত্তরঃ সুই ও সুতা।

(৩৫১) এক লোককে একটা ঘরে বন্দী করা হয়েছে। ঘরটি থেকে পলায়ন করার মাত্র ২টি রাস্তা আছে। এবং ২টি রাস্তাই হল ২টি দরজা। এই ২টি পথ ছাড়া তারা অন্য উপায় নেই। এইবার কথা হল ১ম দরজার বাহিরে এমন একটি ম্যাগনিফাইং গ্লাস সেট করা আছে। যেই গ্লাসের কারণে যে কেউ ঐ দরজা দিয়ে বের হতে চাইলে সূর্যের প্রচন্ড তাপে প্রতিফলিত হবার কারণে সে নিমিষেই মারা যাবে। আর ঐদিকে ২য় দরজায় প্রহরী হিসেবে আছে একটি ডায়নোসর। সেই মুখ দিয়ে বের হতে গেলেই ডায়নোসরের মুখের আগুনে পড়তে হবে ও মরতে হবে। প্রশ্ন হল লোকটা কোন দরজা দিয়ে বের হবে?
উত্তরঃ প্রথম দরজা দিয়ে রাতের বেলা বেরুলেই চলবে।।

(৩৫২) ভূত নয় প্রেত নয় রাত্রীকালে চরে সাপ নয়, ব্ (৩৫৩) বলুন তো কোন সে ফল মানব সংসারে বোটা কেটে দিলে তবে দিনে দিনে বাড়ে।
উত্তরঃ মানুষ।

(৩৫৪) সে পথে যাই না যেতে তবু যেতে হয় অসময়ে গেলে সবে করে হায় হায় সময়েতে নাহি গেলে শুন্য সেই পথে কাঁদকে প্রতিটি ক্ষণ অশেষ দুঃখতে।
উত্তরঃ মৃত্যুপথ।

(৩৫৫) চরণ তো নেই, তবু চলে বহুদুর সুপন্ডিত নয়, পেটে বিদ্যা ভরপুর। মুখ নেই তবু বলে হরেক বচন এ কথার মর্ম বোঝে সুপন্ডিতগণ।
উত্তরঃ চিঠি।

(৩৫৬) বিশ্বজোড়া খ্যাতি তাহার গড়ে প্রতিষ্ঠান নাচে-গানে অভিনয়ে, দক্ষ সে একজন।
উত্তরঃ বিশ্ব কবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর।


(৩৫৭) আমার উচ্ছিষ্ট খায় সে আমারটা সে বলুন তো আমারা কারা?
উত্তরঃ গাছ ও মানুষ।

(৩৫৮) কালো হরিণ থাকে কালো পাহাড়ে দশ জনে ধরে আনে দুইজনে মারে।
উত্তরঃ উঁকুন।

(৩৫৯) হাত আছে পা নাই মাথা তার কাটা আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার কাটা।
উত্তরঃ জামা।

(৩৬০) সাগরে জন্ম, আমরা থাকি সবার ঘরে পানির পরশ পেলে যাই তবে মরে।
উত্তরঃ লবন।

(৩৬১) দুই অক্ষরে নাম আমার, পৃথিবীতে থাকি শেষের অক্ষর বাদ দিলে সেই নামে ডাকি।
উত্তরঃ কাক।

(৩৬২) দিন করি শতেক বিয়ে কাবিন নাহি হয় ছেলে মেয়ের মালিক আমি কোন কালে নয়।
উত্তরঃ কাজী।

(৩৬৩) বলেনতো দেখি- শিরোপতি অগ্নিকুন্ড পেট ভরা পানি। নাভি তার চুষে লোকে একি আজব কাহিনী!!!
উত্তরঃ হুক্কা।

(৩৬৪) বলেনতো দেখি- কোন গ্রামে কোন দিন মানুষ ছিলনা, নাই, আর থাকবে না?
উত্তরঃ টেলিগ্রাম।

(৩৬৫) বলেনতো দেখি- যেখানেতে জন্ম সেখানে নয় বাস। ভ্রমনেতে আসলে পরে ঘটায় সর্বনাস। এইটা কি?
উত্তরঃ বাতাস।

(৩৬৬) তিন তের দিয়া বার নয় দিয়া মিলানী কর। আমার স্বামীর নামটি এই, পার করে দাও নাইওর যাই।
উত্তরঃ ষাট ( ৩ x ১৩ + ১২ + ৯ = ৬০)।

(৩৬৭) গাছে নাই, পাতায় নাই ফুলে আছে, ফলে আছে।
উত্তরঃ ’ল’ বর্ণ।

(৩৬৮) নয়া জামাই গোসল করে, টুপি থাকে মাথার পরে। একশ কলস পানি দাও তবু শুকনা তার গাও।
উত্তরঃ কচু গাছ।

(৩৬৯) শুঁড় দিয়া কাজ করি, নাহি আমি হাতি। পরহিতে খাটি সদা, তবু খাই লাথি।।
উত্তরঃ ঢেঁকি।

(৩৭০) এক লোক দেয়ালে ঝুলানো একটি ছবির দিকে তাকিয়ে তার পাশের লোক কে বলছে -- আমার কোন ভাই অথবা বোন নাই। কিন্তু ছবির এই মানুষটির বাবা আমার বাবার ছেলে। প্রশ্ন হচ্ছে -- ছবির লোকটি কে ?
উত্তরঃ যে লোকটা কথাগুলো বলছে তার ছেলে।।

(৩৭১) ৫ জন লোক পুকুরে নেমে গোসল করছে কিন্তু তাদের চুল ভিজছে না এর কারন কি?
উত্তরঃ কারন তারা সবাই তেলতেলে টাকলু।

(৩৭২) এক চোর কমলা বাগানে কমলা চুরি করতে গেল। বাগানের তিনটি গেইট এবং তাতে তিনজন দারোয়ান ছিলো। এখন দারোয়ানদের সাথে চোরের চুক্তি হল, সে যে পরিমান কমলা চুরি করবে, প্রত্যেক দারোয়ানকে সেই পরিমানের অর্ধেক দিবে। এবং প্রত্যেক দারোয়ান তাকে(চোর) একটি করে কমলা ফেরত দিতে হবে। সব শর্ত পুরন করে বাগান থেকে চোর বের হয়ে দেখল, সে যে পরিমান কমলা পাড়লো সেই পরিমান কমলা তার হাতে আছে। কি করে সম্ভব?
উত্তরঃ ছয়টি চুরি করলো তিনটি নিজে রাখলো। আর তিনটি তিন দারোয়ানকে দিলো। তাদের কাছ থেকে আবার একটি করে ফেরত নিল। সে যতগুল চুরি করল সব রইল।


(৩৭৩) এক দুর্ধর্ষ অপরাধীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ হল। দেশে ২টি নিয়মে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা যায়। বিচারক আসামীকে জিগ্যেস করলেন,তুমি কিভাবে মরতে চাও? ফাঁসীতে নাকি গর্দান নেওয়ার মাধ্যমে? আসামী কিছু না বলায় বিচারক বললেন,আচ্ছা যাও। তোমাকে সরাসরি বলতে হবে না। তুমি যে কোন একটা বাক্য বল। বাক্যটা সত্যি হলে তোমার গর্দান যাবে আর মিথ্যা হলে তোমাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। আসামি কিছুক্ষন চিন্তা করে এমন এক বাক্য বলল যে বিচারক আরো কিছুক্ষন চিন্তা করে তাকে ছেড়ে দিল। আসামী বিচারককে কি বলেছিল ?
উত্তরঃ আসামী বলেছিলো যে, আমি ফাঁসিতে ঝুলতে চাই। এখন জজ যদি আসামীর কথা সত্য ধরে তার গর্দান নেয় তবে তার (আসামি) কথা মিথ্যা হয়ে যায় আবার জজ যদি আসামীর কথা মিথ্যা ধরে তাকে ফাঁসি দেয় তবে তার (আসামি) কথা সত্য হয়ে যায়।

(৩৭৪) একটি রাস্তা ৪০ মিটার লম্বা। প্রতি ১০ মিটার পরপর ১টি করে গাছ রাস্তার উভয় পাশে থাকলে, পুরো রাস্তায় কয়টি গাছ আছে?
উত্তরঃ ১০টি। (৩৭৫

) একটি খালি ঝুড়িতে কয়টি ডিম রাখা যাবে?
উত্তরঃ এক ঝুড়ি।

(৩৭৬) ৩০ থেকে কয়বার ৬ নেয়া যায়?
উত্তরঃ ৫বার।

(৩৭৭) ১ থেকে ১০০ এর মাঝে কয়বার ৯ আছে ?
উত্তরঃ এক বার।

(৩৭৮) আপনি এক তুমুল ঝড়ের রাতে গাড়িয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন,যখন আপনি একটি বাসস্টপ পার হবেন তখনই আপনি দেখলেন তিনজন মানুষ বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন একজন বৃদ্ধা যাঁকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি মৃত্যুপথযাত্রী। একজন পুরনো বন্ধু যিনি একবার আপনার জীবন বাঁচিয়েছিলেন। একজন উপযুক্ত জীবনসঙ্গী যার স্বপ্ন ই আপনি দেখেন। আপনার গাড়িতে শুধুমাত্র একজন যাত্রী উঠার ব্যবস্হা আছে। এখন আপনি কাকে বেছে নেবেন? সংকেত: আপনি সবাইকেই খুশি করতে পারেন। আপনার গাড়ি শুধুমাত্র একজন যাত্রী-ই বহন করতে পারে। তো এটা কে হবে? উত্তর: অবশ্যই বৃদ্ধাকে!আপনি বৃদ্ধাকে গাড়িতে উঠিয়ে চাবিটা দিয়ে দিবেন আপনার বন্ধুকে আর আপনার স্বপ্নের মানুষের সাথে বাসের জন্য অপেক্ষা করবেন।

(৩৭৯) উড়ো-ফোনকল থেকে তথ্য পেয়ে পুলিশ একজন খুনের আসামিকে ধরতে একটি বাড়িতে তল্লাশি করতে গেল। তারা জানত না সে দেখতে কেমন,কিন্তু এটা জানত যে তার নাম জন(John) এবং সে এই বাড়ির ভিতরেই আছে। পুলিশরা ভিতরে ঢুকেই দেথতে পেল একজন ছুতার মিস্ত্রী,একজন লরি ড্রাইভার,একজন মেকানিক এবং একজন ফায়ারম্যান একসঙ্গে বসে পোকার(এক প্রকারের তাস) খেলছে। কোনো প্রকার দ্বিধা বা কথাবার্তা ছাড়াই তারা তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ারম্যানকে অ্যারেস্ট করল। তারা কিভাবে বুঝতে পারল যে তারা সঠিক লোককেই ধরেছে? সংকেত: পুলিশ শুধু দুটো জিনিষ-ই জানে,যে অপরাধীর নাম জন এবং সে একটি নির্দিষ্ট বাড়িতেই আছে উত্তর:ফায়ারম্যানটি হলো রুমের একমাত্র পুরুষ। বাকি সব পোকার খেলোয়াড়েরা মহিলা। (৩৮০) একজন মানুষ একটি আপার্টম্যান্টের সবচেয়ে উপরতলায় থাকেন। প্রতিদিন সকালে তিনি লিফটে করে নিচে নামেন এবং বিল্ডিং থেকে বের হয়ে যান। ফেরার সময়,সে লিফটে কেবল অর্ধেক উঠতে পারে এবং বাকিটা তাকে হেঁটে যেতে হয়-যদি না বাইরে বৃষ্টি হয়। এর ব্যাখ্যা/কারণ কি? সংকেত:সে অনেক অহংকারী তাই সে কখনোই সাহায্য চায় না। উত্তর:মানুষটি খুবই বেঁটে। সে লিফটের সবচেয়ে উপরের সুইচটি পর্যন্ত নাগাল পায় না। কিন্তু সে ইচ্ছা করলে কাউকে বলতে পারে তার জন্য সুইচটি চেপে দিতে। সে তার ছাতা দিয়েও সুইচটি চাপতে পারে। (৩৮১) কিভাবে একটি বাচ্চা একটি বিশতলা বিল্ডিং থেকে মাটিতে পরেও জীবিত থাকতে পারে? সংকেত:বাচ্চাটি কোথায় পরেছে সেটা কোনো ব্যপার না এবং এখানে ভাগ্যের ও কোনো হাত নেই। উত্তর:বাচ্চাটি নিচতলার জানালা দিয়ে পরেছে। (৩৮২) দুষ্টছেলে বাব্বিকে তার মা সাবধান করে দিয়েছিল যেন সে কখনো সেলারের দরজা না খোলে। যদি সে এটা খোলে তাহলে সে এমন জিনিষ দেখবে যা তার দেখার কথা নয়। একদিন যখন তার মা বাইরে গেল,সে সেলারের দরজাটি খুলল। সে কি দেখেছিল? সংকেত:তার মা অদ্ভূত ধরনের মহিলা। উত্তর:যথন দুষ্টছেলে বাব্বি সেলারের দরজা থুলল,সে তাদের লিভিং রুম এবং ঐরুমের জানালা দিয়ে বাইরের বাগান দেখতে পেল। সে আগে কখনো এসব দেখেনি কারণ তার মা তাকে সারাজীবন ঐ সেলারেই আটকে রেখেছিল। (৩৮৩) এক ব্যক্তি আর তার ছেলে একটি গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। লোকটি নিহত হয়েছে আর ছেলেটিকে গুরুতর আহত অবস্হায় হাসপাতালে নেয়া হলো। সেখানে যাবার পর ডাক্তার বলল আমি এই ছেলের অপারেশন করতে পারব না। কারণ সে আমার ছেলে। এটি কিভাবে সম্ভব? সংকেত:এর সাথে দত্তক নেয়া বা সময় পরিভ্রমণের কোনো সম্পর্ক নেই। উত্তর:ডাক্তার তার নিজের ছেলের উপর অপারেশন করতে পারবেন না। কারণ ডাক্তার ছেলেটির মা। (৩৮৪) একটি ঝুড়িতে ছয়টি ডিম আছে। ছয়জন মানুষ প্রত্যেকে একটি করে ডিম নিয়ে গেল। কিন্তু ঝুড়িতে একটি ডিম এখন ও অবশিষ্ট আছে। এটা কিভাবে হয়? সংকেত:এই ধাঁধা র একটি বিকল্প রূপ হলো সারাধি,নিক এবং টেড একটি র্যাফল কনটেস্ট জিতেছে পুরস্কার হলো একটি ঝুড়িতে তিনটি সিদ্ধডিম। তারা পুরস্কার ভাগের ব্যপারে আলোচনা করে প্রত্যেকে একটি করে ডিম নিল। নিক ও টেড ক্ষুধার্ত ছিল তাই তারা তাদের ডিমগুলো খেয়ে ফেলল। কিন্তু একটা ডিম তখনো সেই ঝুড়িতেই রয়ে গেল। উত্তর: শেষ জন শেষ ডিমটি সহ-ই ঝুড়িটি নিয়ে গিয়েছিল। (৩৮৫)একটি লোক একটি বারে ঢুকে এক গ্লাস পানি চাইল। বারটেন্ডার তাকে পানি দিল,কিন্তু লোকটি বলল যে পানিটি দিয়ে কিছুই হচ্ছে না। বারটেন্ডার একমিনিটের জন্য ভাবল এবং একটি পিস্তল বের করে তার দিকে পয়েন্ট করে ধরল। লোকটি বলল,ধন্যবাদ এবং বের হয়ে গেল। সংকেত:অনুগ্রহ করে এটি বাড়িতে চেষ্টা করবেন না। উত্তর: লোকটির হেঁচকি উঠেছিল। বারটেন্ডারটি পিস্তল টেনে ভয় দেখিয়ে তার হেঁচকি দূর করে দিয়েছিল। একজন কলম্বিয়ান এভাবে ভয় দেখিয়ে হেঁচকি দূর করার জন্য তার ভাতিজার দিকে রিভলবার ধরেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনাবশত লোকটি তাকে গুলি করে মেরে ফেলেছিল। -২৪ জানুয়ারী,২০০৬ তারিখে ক্যারিবীয়ান বাররানক্বুইল্লা পোর্ট সিটির পুলিশ বলেছে। পুলিশ আরো বলে,২১বছর বয়সের ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ডেভিড গ্যালভানকে ঘাড়ে গুলি করার পর,তার চাচা,রাফায়েল ভার্গাস(৩৪) এতই বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে যে সে পিস্তলটি তার দিকে তাক করে আত্নহত্যা করে। ঘটনাটি ঘটে এক রবিবার রাতে,তখন তারা দুজন প্রতিবেশীদের সঙ্গে গল্প করছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা স্থানীয় টেলিভিশনে বলে: গ্যালভানের হেঁচকি শুরু হয় এবং ভার্গাস,যে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করে,বলে যে সে ভয় দেখিয়ে মুহূর্তেই হেঁচকি দূর করে দিতে পারবে। সে তার পিস্তলটি বের করে গ্যালভানের দিকে তাক করে এবং দুর্ঘটনাক্রমে গুলি বের হয়ে যায়। তারা ড্রিংক করছিল কিন্তু কি ঘটছিল তা সম্পর্কে তারা অবগত ছিল-একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলে। (৩৮৬)এক জায়গায় এক নিঃসঙ্গ লোক ছিল যে কখনো তার বাড়ি ছেড়ে যেত না। শুধুমাত্র তার খাবার ও যাবতীয় জিনিস পৌঁছে দেয়া ছাড়া কখনো তার সাথে কেউ দেখাও করতে আসত না। কিন্তু তারাও কথনো ভিতরে আসত না। এরপর,এক ঝড়ের রাতে যখন প্রবল হাওয়া বইছিল,সে হঠাত্ স্নায়ুবিক চাপ অনুভব করে। সে সিড়িঁ দিয়ে উপরে ওঠে,লাইট নিভায় এবং শুয়ে পড়ে। পরদিন সকালে,তা ঝটপট প্রশ্ন ও উত্তর (৩৯৪) চটপট বলে ফেল, ঝাল কোন দেশ?
উত্তরঃ শ্রীলঙ্কা।

(৩৯৫) কোন বিলে জল নেই?
উত্তরঃ টেবিল।

(৩৯৬) কোন দেশে মাটি নেই?
উত্তরঃ সন্দেশ।

(৩৯৭) কোন টিয়া ডাকে না?
উত্তরঃ খাটিয়া।

(৩৯৮) কোন চিল উরে না?
উত্তরঃ পাঁচিল। ।

(৩৯৯) কোন মাছি উড়ে না?
উত্তরঃ ঘামাচি।।

(৪০০) কোন বাসে মৌমাছি আসে?
উত্তরঃ সুবাসে।


(৪০১) কোন পথে যেতে নেই?
উত্তরঃ বিপথে।

(৪০২) কোন রাণী পুরুষও হয়?
উত্তরঃ কেরানী।

(৪০৩) কোন উল বোনে না?
উত্তরঃ বাউল।

(৪০৪) কোন গান গাওয়া যায় না?
উত্তরঃ বাগান।

(৪০৫) কোন টেবিলে পা নেই?
উত্তরঃ টাইমটেবিল।

(৪০৬) কোন তাসা বাজে না?
উত্তরঃ বাতাসা

(৪০৭) কোন জিনিস টানলে কমে?
উত্তরঃ সিগারেট।

(৪০৮) কোন জিনিস দিলে বাড়ে?
উত্তরঃ বিদ্যা।

(৪০৯) কোন জিনিস কাটলে বাড়ে?
উত্তরঃ পুকুর।

(৪১০) কোন গ্রামে মানুষ নেই?
উত্তরঃ টেলিগ্রাম।

(৪১১) কোন রাজধানী পাট ছাড়া?
উত্তরঃ পাটনা।

(৪১২) কোন হাঁস ডিম পারে না?
উত্তরঃ ইতিহাস।

(৪১৩) কোন চোর চুরি করে না?
উত্তরঃ এঁচোড়।

(৪১৪) কোন চুড়ি খেতে ভাল?
উত্তরঃ খিচুড়ী।

(৪১৫) কোন জামা খায়ে দেয় না?
উত্তরঃ পায়জামা।

(৪১৬) কোন ডিম দেখা যায় না?
উত্তরঃ ঘোড়ার ডিম।

(৪১৭) কোন লেট ভাল লাগে?
উত্তরঃ চকলেট।

(৪১৮) কোন গুণ পুড়িয়ে খায়?
উত্তরঃ বেগুন। (৪১৯

(৪১৯ ) কোন ধান পড়তে লাগে?
উত্তরঃ অভিধান।

(৪২০) কোন বরের গায়ে গন্ধ?
উত্তরঃ গোবর।

(৪২১) কোন ব্যাংকে টাকা রাখে না?
উত্তরঃ ব্লাডব্যাংক।

(৪২২) কোন আম খায় না?
উত্তরঃ বেয়াম।


(৪২৩) কোন নুন গরম হয়?
উত্তরঃ উনুন।

(৪২৪) কোন মা থাকে নাকের পরে?
উত্তরঃ চশমা।

(৪২৫) কোন ছানা খায় না?
উত্তরঃ বিছানা।

(৪২৬) কোন শহর কে খুললে মানা?
উত্তরঃ খুলনা।

(৪২৭) কোন বর কে সবাই কে চায়?
উত্তরঃ খবর

(৪২৮) কোন ভাত সকালে দেখে?
উত্তরঃ প্রভাত।

(৪২৯) কোন পান খায় না?
উত্তরঃ জাপান।

(৪৩০) কোন গজ লিখতে লাগে?
উত্তরঃ কাগজ।

(৪৩১) কোন কোলে বসে না?
উত্তরঃ নারকোল ।

(৪৩২) কোন চা খায় না?
উত্তরঃ খাঁচা।

(৪৩৩) কোন চা বসতে লাগে?
উত্তরঃ মাচা।

(৪৩৪) গানের কোনটা গাছে ধরে?
উত্তরঃ তাল।

(৪৩৫) কোন মূলের লাল ফুল?
উত্তরঃ শিমূল।

(৪৩৬) কোন বেশ সস্তা না?
উত্তরঃ দরবেশ।

(৪৩৭) কোন পাখি পড়লে ভয়?
উত্তরঃ বাজ।

(৪৩৮) কোন পাখি ডিম পাড়ে না?
উত্তরঃ বাজ পাখি।

(৪৩৯) কোন গাছের মাথায় জাটা?
উত্তরঃ তাল গাছ।

(৪৪০) কোন গাছের মাথায় ঘা?
উত্তরঃ সজনে। (৪৪১

) কোন গাছে কাটে না?
উত্তরঃ কলুর ঘানিগাছ।

(৪৪২) কোন গাছের পাখা নেই?
উত্তরঃ কাঁকড়া।

(৪৪৩) কোন গাছের পাতা নেই?
উত্তরঃ সিজ।

(৪৪৪) কোন আম করতে হয়?
উত্তরঃ বেয়াম।


(৪৪৫) কোন চুরি হাতে পারে না?
উত্তরঃ খিচুড়ি।

(৪৪৬) কোন পাখি উড়ে না?
উত্তরঃ উটপাখি।

(৪৪৭) কোন মাছ, মাছ নয়?
উত্তরঃ চিংড়ি মাছ।

(৪৪৮) কোন বাচ্চার মা নেই?
উত্তরঃ চৌবাচ্চা।

(৪৪৯) কোন সুখে সুখ নেই?
উত্তরঃ অসুখে।

(৪৫০) কোন খানা দেখতে হয়?
উত্তরঃ চিড়িয়াখানা।

(৪৫১) কোন চায়ে ভীষন জাল?
উত্তরঃ মরিচা।

(৪৫২) কোন খালে জল আসে না?
উত্তরঃ খাটালে ।

(৪৫৩) কোন সাগরে জল নেই?
উত্তরঃ বিদ্যাসাগর।

(৪৫৪) কোন পাল ভাগ্য বলে?
উত্তরঃ কপাল।

(৪৫৫) কোন বলে শিত কাটে?
উত্তরঃ কম্বল।

(৪৫৬) কোন জল চোখে দেয়?
উত্তরঃ কাজল।

(৪৫৭) কোন গ্রামে রক্ত ঝরে?
উত্তরঃ সংগ্রাম।

(৪৫৮) কোন সুধা তরল নয়?
উত্তরঃ বসুধা।

(৪৫৯) কোন কাসে মেঘ বাসে?
উত্তরঃ আকাশে।

(৪৬০) কোন কারে গান বাজে?
উত্তরঃ স্পিকার।

(৪৬১) কোন দুলি দোলে না?
উত্তরঃ মাধুলি।

(৪৬২) কোন রেটে আগুন লাগে?
উত্তরঃ সিগারেটে। (৪৬৩

) কোন বাজী কেউ কেউ খায়?
উত্তরঃ ডিগবাজি।

(৪৬৪) কোন হাড় চোরকে দেয়?
উত্তরঃ প্রহার।

(৪৬৫) কোন পুলে ওষুধ হয়?
উত্তরঃ পিপুল।

(৪৬৬) কোন টক দেখালে হয়?
উত্তরঃ নাটক।


(৪৬৭) কোন টকে চড়ে মজা?
উত্তরঃ ঘোটক।

(৪৬৮) পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা খর্বকায় জাতি কোনটি?
উত্তরঃ পিগমি।

(৪৬৯) HTTP এর পূর্ণরূপ কি?
উত্তরঃ Hyper Text Transfer Protocol.

(৪৭০) চর্ম ক্যান্সারের জন্য দায়ী কী?
উত্তরঃ আলট্রাভায়োলেট রশ্মি।

(৪৭১) Liaison-এর উচ্চারণ কী?
উত্তরঃ লিয়াজোঁ।

(৪৭২) বিন্দুর চলার পথকে কি বলে?
উত্তরঃ রেখা। ।

(৪৭৩) ‘এক দেশ দুই পদ্ধতি নীতি’ চালু কোন দেশে?
উত্তরঃ চীনে।

(৪৭৪) ইউরোপের বৃহত্তম সাগর কোনটি?
উত্তরঃ ভূমধ্যসাগর।

(৪৭৫) হংকং চীনের পূর্বে কোন দেশের অধীনে ছিলো?
উত্তরঃ ব্রিটেন। ।

(৪৭৬) বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতা কোন দেশে গড়ে উঠেছিলো?
উত্তরঃ ইরাক।

(৪৭৭) দিন-রাত্রি সর্বত্র সমান হয় কোন রেখায়?
উত্তরঃ নিরক্ষরেখায়।

(৪৭৮) ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’হয়েছিল বাংলা কত সালে?
উত্তরঃ ১১৭৬ বঙ্গাব্দে।

(৪৭৯) বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসারের অগ্রদূত কে?
উত্তরঃ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত।

(৪৮০) বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কোনটি?
উত্তরঃ গারো পাহাড়।

(৪৮১) বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে?
উত্তরঃ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

(৪৮২) বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতি কে?
উত্তরঃ শশাঙ্ক।

(৪৮৩) চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয় কোথা থেকে?
উত্তরঃ নেপালের রাজগ্রন্থশালা থেকে।

(৪৮৪) ‘সমাজ ও সমাধান’- গ্রন্থটির লেখক কে?
উত্তরঃ মোহাম্মদ আকরাম খাঁ। (৪৮৫

) ‘সকলের জন্য প্রযোজ্য’ এককথায় কি হবে?
উত্তরঃ সার্বজনীন।

(৪৮৬) ‘ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।

(৪৮৭) বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি কে?
উত্তরঃ বেগম সুফিয়া কামাল।

(৪৮৮) এনজাইম কি দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তরঃ আমিষ।।


(৪৮৯) ব্যাঙের ট্রিপসিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
উত্তরঃ অগ্নাশয় থেকে।

(৪৯০) খেজুরের রসে কী উপাদান রয়েছে?
উত্তরঃ ফ্রুক্টোজ।

(৪৯১) মাছ অক্সিজেন নেয় কোথা থেকে?
উত্তরঃ পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস থেকে।

(৪৯২) বিশ্বের প্রথম সরকারি ব্যাংক কোনটি?
উত্তরঃ ব্যাংক আব ভেনিস।

(৪৯৩) WWW এর পূর্ণরূপ কি?
উত্তরঃ World Wide Web.

(৪৯৪) কোনটিকে আন্তর্জাতিক নদী বলা হয়?
উত্তরঃ দানিয়ুব নদীকে।

(৪৯৫) গোলান মালভূমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে কোন কোন দেশের?
উত্তরঃ ইসরাইল ও মিশরের।

(৪৯৬) কোন দেশকে ইউরোপের দ্বার বলা হয়?
উত্তরঃ ভিয়েনাকে।

(৪৯৭) বিশ্বের বৃহত্তম সমভূমির নাম কি?
উত্তরঃ মধ্য ইউরোপের বিস্তীর্ণ সমভূমি।

(৪৯৮) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
উত্তরঃ ভারতের।

(৪৯৯) দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫ পূর্ব রাশি ৪০ হলে উত্তর রাশি কত?
উত্তরঃ ৭৫।

(৫০০) লালবাগ কেল্লা কত শতকে স্থাপিত?
উত্তরঃ ১৭ শতকে।

(৫০১) SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে-
উত্তরঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

(৫০২) বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ঈশ্বরদী।

(৫০৩) বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৯৫ সালে।

(৫০৪) বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
উত্তরঃ সিলেট অঞ্চলের।।

(৫০৫) বাংলা গদ্যের জনক কে?
উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

(৫০৬) তর্করত্ন কার উপাধি?
উত্তরঃ রামনারায়ণ।



(৫০৭) বাংলা ছোটগল্পের জনক কে?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।।

(৫০৮) প্রশ্নঃ . প্রথম জেলা গঠিত হয় কবে?
উত্তরঃ ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলা।

(৫০৯) প্রশ্নঃ.উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক কে ?
উত্তরঃ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ।

(৫১০) প্রশ্নঃ কার শাসনামলে উপমহাদেশে পুলিশ সার্ভিস চালু করা হয়?
উত্তরঃ লর্ড ক্যানিংয়ের।

(৫১১) প্রশ্নঃ . বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কি?
উত্তরঃ বাংলাদেশ ব্যাংক।

(৫১২) প্রশ্নঃ আনন্দ রাজার দীঘি যেখানে অবস্থিত?
উত্তরঃ কুমিল্লার ময়নামতিতে।

(৫১৩) প্রশ্নঃ বৈরাগীর চাল যেখানে অবস্থিত ?
উত্তরঃ গাজিপুর জেলায়।

(৫১৪) প্রশ্নঃ বৈরাগীর ভিটা যেখানে অবস্থিত ?
উত্তরঃ মহাস্থানগড়।

(৫১৫) প্রশ্নঃ খোদার পাথর ভিটা যেখানে অবস্থিত?
উত্তরঃ মহাস্থানগড়।

(৫১৬) প্রশ্নঃ মহাস্থানগড় যে জেলায় অবস্থিত?
উত্তরঃ বগুড়া জেলায়।

(৫১৭) প্রশ্নঃ বাংলাদেশের প্রাচীন শহর ?
উত্তরঃ পুণ্ড্রবর্ধন। বর্তমানে মহাস্থানগড়।

(৫১৮) প্রশ্নঃ আনন্দ বিহার তৈরী করেন ?
উত্তরঃ রাজা আনন্দ দেব।

(৫১৯) প্রশ্নঃ আনন্দ বিহার যেখানেঅবস্থিত?
উত্তরঃ কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ে।

(৫২০) প্রশ্নঃ শালবন বিহার তৈরী করেন?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ ভবদেব।

(৫২১) প্রশ্নঃ শালবন বিহার যেখানে অবস্থিত?
উত্তরঃ কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে।

(৫২২) প্রশ্নঃ সত্য পীরের ভিটাযেখানে অবস্থিত?
উত্তরঃ নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহারে।

(৫২৩) প্রশ্নঃ পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিজারটি কি নামে পরিচিত ?
উত্তরঃ সোমপুর বিহার।

(৫২৪) প্রশ্নঃ সোমপুর বিহার যেখানে অবস্থিত ?
উত্তরঃ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে।

(৫২৫) প্রশ্নঃ মহাস্থানগড়ের যে যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে ?
উত্তরঃ মৌর্য যুগের।

(৫২৬) প্রশ্নঃ আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেন ?
উত্তরঃ নবাব আব্দুল গনি।

(৫২৭) প্রশ্নঃ আফগান দুর্গ যেখানে অবস্থিত?
উত্তরঃ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে।

(৫২৮) প্রশ্নঃ মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ বিল গেট ও পল অ্যালেন।



(৫২৯) প্রশ্নঃ ইউটিবের জনক কে?
উত্তরঃ চ্যাড হারলি, স্টিভ চ্যান ও জাবেদ করিম।

(৫৩০) প্রশ্নঃ ইয়াহু মেইল সেবা চালু হয় কবে?
উত্তরঃ ৮ অক্টোবর ১৯৯৭।

(৫৩১) প্রশ্নঃ ইয়াহু এর জনক কে?
উত্তরঃ ডেভিড ফিলো এবং জেরি ইয়াং।

(৫৩২) প্রশ্নঃ মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন করেন কে?
উত্তরঃ রিচার্ড ম্যাথিউ স্টলম্যান।

(৫৩৩) প্রশ্নঃ সিডি এর জনক কে?
উত্তরঃ নোরিও ওহগা (জাপান)।

(৫৩৪) প্রশ্নঃ বাংলাদেশে ই-বুকের যাত্রা শুরু কবে?
উত্তরঃ ২৪ এপ্রিল ২০১১।

(৫৩৫) প্রশ্নঃ গুগল ই-বুকের যাত্রা শুরু কবে?
উত্তরঃ ২০১০ সালে।

(৫৩৬) প্রশ্নঃ ই-বুকের জনক কে?
উত্তরঃ মাইকেল র্স্টান হার্ট (যুক্তরাষ্ট্র)।

(৫৩৭) প্রশ্ন : কোন দেশে একটি গ্রামের নাম রাখা হয়েছে ‘রুপসী বাংলা’ ? উত্তর: আইভরি কোস্ট। (৫৩৮) প্রশ্ন : ভারত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয় কবে ? উত্তর : ৫ অক্টোবর ২০১৩। (৫৩৯) প্রশ্নঃ. জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম মহিলা সভাপতি কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ভারতের বিজয়লক্ষী পন্ডিত।

(৫৪০) প্রশ্নঃ. প্রথম কাগজ আবিস্কৃত হয় কোথায় ?
উত্তরঃ চীনে।

(৫৪১) প্রশ্নঃ.ইতিহাসের জনক কাকে বলা হয় ?
উত্তরঃ হেরোডোটাসকে ।

(৫৪২) প্রশ্নঃ ‘দুবলার চর’ কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ সুন্দর বনের দক্ষিণ উপকূলে।

(৫৪৩) প্রশ্নঃ.বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি ?
উত্তরঃ তাজিনডং।

(৫৪৪) প্রশ্নঃ. বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তর পাহাড় কোনটি ?
উত্তরঃ গারো পাহাড়।

(৫৪৫) প্রশ্নঃ .বাংলাদেশের প্রথম মহিলা বিগ্রেডিয়ার কে?
উত্তরঃ সুরাইয়া বেগম ।

(৫৪৬) প্রশ্নঃ আনসার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ গাজিপুরের শফিপুরে।

(৫৪৭) প্রশ্নঃ. মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে ?
উত্তরঃ সচিব।

(৫৪৮) প্রশ্নঃ টেলিফোনের জনক কে?
উত্তরঃ আরেকজান্ডার গ্রাহাম বেল।

(৫৪৯) প্রশ্নঃ আধুনিক ল্যাপটপের জনক কে?
উত্তরঃ বিল মোগরিজ।

(৫৫০) প্রশ্নঃ যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারের সকল ফলাফল কাগজে ছাপানো হয় তার নাম কি?
উত্তরঃ প্রিন্টার।





















7 Responses to "ধাধার আসর এর সকল বাংলা ধাঁধাঁ এবং মজার ধাধা গুলো এখানে দেয়া আছে ।"

  1. নাম তার দুই অক্ষরে
    জন্ম থেকে পোশাক পরে
    যৌবনও বৃদ্ধকালে
    উলঙ্গ হয়ে সমাজে বাস করে।।
    ...এই ধাধার উত্তর কি?? কেউ জানলে সঠিক উত্তর বলবেন প্লিজ?

    উত্তরমুছুন
  2. কাজে লাগালে মরে যায় কাটলে আবার জীবন পায়। উত্তর কী?

    উত্তরমুছুন
  3. তিন তক্তার নাউ খানি ষলো দারে বায় কেমন সুন্দর নাউ খানি শুকনা দিয়ে যায়?? প্লিজ এটার উওর দেন।

    উত্তরমুছুন

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel